ঢাকা ০১:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬

বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদারে চীন সফরে ট্রাম্প: দ্বিপাক্ষিক সমঝোতার প্রত্যাশা

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১১:২১:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
  • ৫ বার পড়া হয়েছে

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বেইজিং সফরকে মূলত ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যেই দেখছে হোয়াইট হাউস। দুই নেতার আলোচনার ধরনেও ছিল ভিন্নতা; চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং যেখানে দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্কের বৃহত্তর চিত্র নিয়ে কথা বলেছেন, সেখানে ট্রাম্প গুরুত্ব দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে তার ব্যক্তিগত সম্পর্কের ওপর।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর তথ্যমতে, দুই দেশ একটি ‘যৌথ বাণিজ্য বোর্ড’ গঠনের খুব কাছাকাছি পৌঁছেছে। প্রাথমিক পর্যায়ে এটি একটি নীতিগত অঙ্গীকার হিসেবে গণ্য হলেও, দীর্ঘমেয়াদে এটি দুই দেশের মধ্যকার বাণিজ্যিক লেনদেন পর্যবেক্ষণ ও বিরোধ নিষ্পত্তির একটি কার্যকর মাধ্যম হিসেবে কাজ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এই সফরে চীন মার্কিন কৃষি পণ্য, বিশেষ করে গরুর মাংস ও সয়াবিন কেনার বিষয়ে প্রতিশ্রুতি দিতে পারে। বিনিময়ে চীন মার্কিন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান এনভিডিয়ার তৈরি চিপ এবং বোয়িং বিমান কেনার সুযোগ চেয়েছে। ট্রাম্পের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য ছিল মার্কিন কোম্পানিগুলোর জন্য চীনের বাজার আরও উন্মুক্ত করা।

এই ব্যবসায়িক লক্ষ্যগুলো বাস্তবায়নের জন্যই ট্রাম্প তার সফরসঙ্গী হিসেবে ইলন মাস্ক (টেসলা) এবং টিম কুকের (অ্যাপল) মতো প্রভাবশালী ব্যবসায়ীদের নিয়ে এসেছিলেন। ট্রাম্পের প্রত্যাশা, চীনের বাজারে মার্কিন কোম্পানির ব্যবসায়িক সুযোগ বাড়লে তার সরাসরি ইতিবাচক প্রভাব পড়বে মার্কিন অর্থনীতিতে।

তবে, বাণিজ্য আলোচনার পাশাপাশি তাইওয়ান ইস্যু এবং অন্যান্য ভূ-রাজনৈতিক জটিলতাগুলোও এই সফরের গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্যসূচি হিসেবে স্থান পেয়েছে, যা দুই দেশের সম্পর্কের বহুমুখী দিক তুলে ধরে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই সফর মূলত অর্থনৈতিক স্বার্থোদ্ধারের এক বড় মঞ্চ হিসেবে কাজ করেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কে বাণিজ্যে নতুন দিগন্ত উন্মোচনের সম্ভাবনা

বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদারে চীন সফরে ট্রাম্প: দ্বিপাক্ষিক সমঝোতার প্রত্যাশা

আপডেট সময় : ১১:২১:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বেইজিং সফরকে মূলত ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যেই দেখছে হোয়াইট হাউস। দুই নেতার আলোচনার ধরনেও ছিল ভিন্নতা; চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং যেখানে দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্কের বৃহত্তর চিত্র নিয়ে কথা বলেছেন, সেখানে ট্রাম্প গুরুত্ব দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে তার ব্যক্তিগত সম্পর্কের ওপর।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর তথ্যমতে, দুই দেশ একটি ‘যৌথ বাণিজ্য বোর্ড’ গঠনের খুব কাছাকাছি পৌঁছেছে। প্রাথমিক পর্যায়ে এটি একটি নীতিগত অঙ্গীকার হিসেবে গণ্য হলেও, দীর্ঘমেয়াদে এটি দুই দেশের মধ্যকার বাণিজ্যিক লেনদেন পর্যবেক্ষণ ও বিরোধ নিষ্পত্তির একটি কার্যকর মাধ্যম হিসেবে কাজ করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এই সফরে চীন মার্কিন কৃষি পণ্য, বিশেষ করে গরুর মাংস ও সয়াবিন কেনার বিষয়ে প্রতিশ্রুতি দিতে পারে। বিনিময়ে চীন মার্কিন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান এনভিডিয়ার তৈরি চিপ এবং বোয়িং বিমান কেনার সুযোগ চেয়েছে। ট্রাম্পের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য ছিল মার্কিন কোম্পানিগুলোর জন্য চীনের বাজার আরও উন্মুক্ত করা।

এই ব্যবসায়িক লক্ষ্যগুলো বাস্তবায়নের জন্যই ট্রাম্প তার সফরসঙ্গী হিসেবে ইলন মাস্ক (টেসলা) এবং টিম কুকের (অ্যাপল) মতো প্রভাবশালী ব্যবসায়ীদের নিয়ে এসেছিলেন। ট্রাম্পের প্রত্যাশা, চীনের বাজারে মার্কিন কোম্পানির ব্যবসায়িক সুযোগ বাড়লে তার সরাসরি ইতিবাচক প্রভাব পড়বে মার্কিন অর্থনীতিতে।

তবে, বাণিজ্য আলোচনার পাশাপাশি তাইওয়ান ইস্যু এবং অন্যান্য ভূ-রাজনৈতিক জটিলতাগুলোও এই সফরের গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্যসূচি হিসেবে স্থান পেয়েছে, যা দুই দেশের সম্পর্কের বহুমুখী দিক তুলে ধরে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই সফর মূলত অর্থনৈতিক স্বার্থোদ্ধারের এক বড় মঞ্চ হিসেবে কাজ করেছে।