যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিন পিংয়ের মধ্যকার আসন্ন দ্বিপক্ষীয় বৈঠকটি বিশ্ব রাজনীতির প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে এই বৈঠক কতটা সফল হবে, তা নির্ভর করছে দুই নেতার কৌশলগত লক্ষ্য ও রাজনৈতিক অগ্রাধিকারের ওপর। লাইডেন ইউনিভার্সিটির আন্তর্জাতিক সম্পর্কের অধ্যাপক সালভাদর সান্তিনো রেজিলমে মনে করেন, ট্রাম্পের জন্য সফলতার প্রধান মাপকাঠি হলো এমন কোনো দৃশ্যমান চুক্তি, যা তিনি মার্কিন ভোটারদের কাছে নিজের বিজয় হিসেবে উপস্থাপন করতে পারবেন।
মার্কিন প্রেসিডেন্টের প্রত্যাশার তালিকায় থাকতে পারে চীন কর্তৃক বেশি পরিমাণে মার্কিন পণ্য কেনার প্রতিশ্রুতি, শুল্ক কমানোর বিষয়ে নমনীয়তা কিংবা বৈশ্বিক রাজনীতিতে ইরান ইস্যুতে বেইজিংয়ের সহযোগিতা। অন্যদিকে, চীনা প্রেসিডেন্ট শি চিন পিংয়ের প্রধান লক্ষ্য হলো ওয়াশিংটনের কাছে নতি স্বীকার না করে দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং বিশ্বমঞ্চে চীনের একক প্রভাব ও মর্যাদা অক্ষুণ্ণ রাখা। বেইজিং কোনোভাবেই তাদের অভ্যন্তরীণ সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে ছাড় দিতে রাজি নয়।
বিশ্লেষকদের মতে, দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের কাঠামোগত ও বাণিজ্যিক বিরোধ বিদ্যমান থাকায় বড় ধরনের কোনো সামগ্রিক চুক্তির সম্ভাবনা এখনই ক্ষীণ। তবে শুল্ক সাময়িক স্থগিত রাখা বা নির্দিষ্ট কিছু পণ্যের বাণিজ্যে ছাড় দিয়ে একটি সীমিত পরিসরের সমঝোতা হতে পারে। যদিও এ ধরনের চুক্তি সাময়িকভাবে উত্তেজনা প্রশমন করবে, তবে এটি দুই পরাশক্তির মধ্যকার মূল সংকটের স্থায়ী সমাধান দেবে না। মূলত ভবিষ্যৎ প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও অর্থনৈতিক নির্ভরশীলতার ভারসাম্য বজায় রাখাই এখন দুই নেতার বড় চ্যালেঞ্জ।
রিপোর্টারের নাম 






















