ঢাকা ০১:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬

মতপার্থক্য নয়, অভিন্ন স্বার্থই চীন-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ককে এগিয়ে নেবে: শি জিনপিং

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:১০:৫৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
  • ৬ বার পড়া হয়েছে

বেইজিংয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে এক আনুষ্ঠানিক বৈঠকে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং পারস্পরিক সহযোগিতা এবং দুই দেশের অভিন্ন স্বার্থের ওপর জোর দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আমি সবসময়ই বিশ্বাস করি, চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার অভিন্ন স্বার্থ তাদের মতপার্থক্যের চেয়ে অনেক বড়।’

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে স্বাগত জানিয়ে শি জিনপিং বলেন, বেইজিংয়ে তাকে পেয়ে তিনি আনন্দিত। তার মতে, দুই দেশের মধ্যে একটি স্থিতিশীল সম্পর্ক পুরো বিশ্বের জন্যই কল্যাণকর। শি আরো জানান, তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বর্তমান বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ ও বড় ইস্যুগুলো নিয়ে আলোচনার অপেক্ষায় আছেন।

বিশ্লেষকদের মতে, দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান নানা উত্তেজনা ও ভূ-রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও শীর্ষ পর্যায়ের এই বৈঠকে শি জিনপিংয়ের এই বক্তব্য পারস্পরিক সম্পর্ক স্থিতিশীল করার একটি ইতিবাচক ইঙ্গিত বহন করে। এটি দুই দেশের মধ্যে চলমান উত্তেজনা প্রশমনে সহায়ক হতে পারে বলে তারা মনে করছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কে বাণিজ্যে নতুন দিগন্ত উন্মোচনের সম্ভাবনা

মতপার্থক্য নয়, অভিন্ন স্বার্থই চীন-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ককে এগিয়ে নেবে: শি জিনপিং

আপডেট সময় : ০৯:১০:৫৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬

বেইজিংয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে এক আনুষ্ঠানিক বৈঠকে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং পারস্পরিক সহযোগিতা এবং দুই দেশের অভিন্ন স্বার্থের ওপর জোর দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আমি সবসময়ই বিশ্বাস করি, চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার অভিন্ন স্বার্থ তাদের মতপার্থক্যের চেয়ে অনেক বড়।’

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে স্বাগত জানিয়ে শি জিনপিং বলেন, বেইজিংয়ে তাকে পেয়ে তিনি আনন্দিত। তার মতে, দুই দেশের মধ্যে একটি স্থিতিশীল সম্পর্ক পুরো বিশ্বের জন্যই কল্যাণকর। শি আরো জানান, তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বর্তমান বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ ও বড় ইস্যুগুলো নিয়ে আলোচনার অপেক্ষায় আছেন।

বিশ্লেষকদের মতে, দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান নানা উত্তেজনা ও ভূ-রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও শীর্ষ পর্যায়ের এই বৈঠকে শি জিনপিংয়ের এই বক্তব্য পারস্পরিক সম্পর্ক স্থিতিশীল করার একটি ইতিবাচক ইঙ্গিত বহন করে। এটি দুই দেশের মধ্যে চলমান উত্তেজনা প্রশমনে সহায়ক হতে পারে বলে তারা মনে করছেন।