ঢাকা ০১:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬

ইরান ও তাইওয়ান ইস্যুতে ওয়াশিংটন-বেইজিং নতুন স্নায়ুযুদ্ধ: নেপথ্যে দরকষাকষির সমীকরণ

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:০৬:০৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
  • ৮ বার পড়া হয়েছে

ইরান ও পশ্চিমা বিশ্বের মধ্যকার চলমান উত্তেজনাকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ হতে যাচ্ছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং চীনা শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে সম্ভাব্য বৈঠকে মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতা এবং ইরান সংকট আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তেহরানের ওপর বেইজিংয়ের প্রভাব খাটানোর বিষয়ে ওয়াশিংটন বেশ আগ্রহী।

কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ইরান ইস্যুতে ওয়াশিংটনকে সহায়তা করার বিনিময়ে বেইজিং বড় ধরনের কৌশলগত সুবিধা আদায়ের চেষ্টা করতে পারে। আন্তর্জাতিক রাজনীতির বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, চীন হয়তো তাইওয়ান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান অবস্থানের পরিবর্তন বা স্বায়ত্তশাসিত এই দ্বীপটির স্বাধীনতার বিরোধিতায় আরও কঠোর অবস্থানের দাবি তুলবে। অর্থাৎ মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতাকে বেইজিং তাদের দীর্ঘমেয়াদী স্বার্থ উদ্ধারের একটি কার্যকর দরকষাকষির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করার পরিকল্পনা করছে।

লন্ডনের সিটি সেন্ট জর্জস বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক রাজনীতির অধ্যাপক ইন্দরজিৎ পারমার মনে করেন, ইরান ও হরমুজ প্রণালির সংকটের সমাধান এখন কেবল তেহরান বা ওয়াশিংটনের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে না। বরং বেইজিংয়ের কৌশলগত হিসাব-নিকাশ এবং তাইওয়ান ইস্যুর মতো স্পর্শকাতর বিষয়গুলো এই ভূ-রাজনৈতিক খেলার মূল নিয়ামক হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফলে মধ্যপ্রাচ্যের এই আঞ্চলিক সংকট এখন বিশ্বশক্তির শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণের এক জটিল মঞ্চে পরিণত হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কে বাণিজ্যে নতুন দিগন্ত উন্মোচনের সম্ভাবনা

ইরান ও তাইওয়ান ইস্যুতে ওয়াশিংটন-বেইজিং নতুন স্নায়ুযুদ্ধ: নেপথ্যে দরকষাকষির সমীকরণ

আপডেট সময় : ০৬:০৬:০৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬

ইরান ও পশ্চিমা বিশ্বের মধ্যকার চলমান উত্তেজনাকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ হতে যাচ্ছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং চীনা শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে সম্ভাব্য বৈঠকে মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতা এবং ইরান সংকট আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তেহরানের ওপর বেইজিংয়ের প্রভাব খাটানোর বিষয়ে ওয়াশিংটন বেশ আগ্রহী।

কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ইরান ইস্যুতে ওয়াশিংটনকে সহায়তা করার বিনিময়ে বেইজিং বড় ধরনের কৌশলগত সুবিধা আদায়ের চেষ্টা করতে পারে। আন্তর্জাতিক রাজনীতির বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, চীন হয়তো তাইওয়ান ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান অবস্থানের পরিবর্তন বা স্বায়ত্তশাসিত এই দ্বীপটির স্বাধীনতার বিরোধিতায় আরও কঠোর অবস্থানের দাবি তুলবে। অর্থাৎ মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতাকে বেইজিং তাদের দীর্ঘমেয়াদী স্বার্থ উদ্ধারের একটি কার্যকর দরকষাকষির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করার পরিকল্পনা করছে।

লন্ডনের সিটি সেন্ট জর্জস বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক রাজনীতির অধ্যাপক ইন্দরজিৎ পারমার মনে করেন, ইরান ও হরমুজ প্রণালির সংকটের সমাধান এখন কেবল তেহরান বা ওয়াশিংটনের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে না। বরং বেইজিংয়ের কৌশলগত হিসাব-নিকাশ এবং তাইওয়ান ইস্যুর মতো স্পর্শকাতর বিষয়গুলো এই ভূ-রাজনৈতিক খেলার মূল নিয়ামক হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফলে মধ্যপ্রাচ্যের এই আঞ্চলিক সংকট এখন বিশ্বশক্তির শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণের এক জটিল মঞ্চে পরিণত হয়েছে।