রাজধানী ঢাকার ধানমন্ডি এলাকা থেকে অপহৃত ম্যাপল লিফ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের অষ্টম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে দীর্ঘ এক সপ্তাহ পর কক্সবাজার থেকে উদ্ধার করেছে র্যাব। এই ঘটনায় জড়িত মূল হোতা তাওহীদ মো. মোস্তাকিম ও মো. আবু সাঈদ নামের দুই যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার হওয়া তাওহীদ মো. মোস্তাকিম (৩৩) ঢাকার উত্তরা থানার আটিপাড়ার বাসিন্দা এবং মো. আবু সাঈদ (২৪) কক্সবাজার জেলার উখিয়া উপজেলার রাজাপালং ইউনিয়নের বাসিন্দা। মঙ্গলবার সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে কক্সবাজার শহরতলীর লিংক রোডের অনতিদূরে বাংলাদেশ বেতারের কাছাকাছি এলাকা থেকে ওই কিশোরীকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
র্যাব-১৫ এর সহকারী পরিচালক ও সহকারী পুলিশ সুপার আ. ম. ফারুক বুধবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গত ৬ মে রাজধানীর ধানমন্ডির নিজেদের বাসার সামনে থেকে একদল দুর্বৃত্ত ওই শিক্ষার্থীকে একটি সাদা রঙের হাইয়েস গাড়িতে তুলে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় ভিকটিমের পরিবার ধানমন্ডি মডেল থানায় একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেছিলেন। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে দেশজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি হয়।
ঘটনার পর থেকেই অপহৃত শিক্ষার্থীকে উদ্ধার ও আসামিদের গ্রেপ্তারে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করে র্যাব। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব জানতে পারে, অপহরণকারীরা ওই কিশোরীকে নিয়ে কক্সবাজার সদর উপজেলার ঝিলংঝা ইউনিয়ন এলাকায় অবস্থান করছে। এই তথ্যের ভিত্তিতে কক্সবাজার লিংক রোডস্থ বাংলাদেশ বেতার অফিসের সামনে বিশেষ অভিযান চালায় র্যাব। অভিযানে অপহৃত কিশোরীকে উদ্ধার এবং মূল আসামি তাওহীদ মো. মোস্তাকিম ও মো. আবু সাঈদকে গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাবের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার হওয়া দুজন তাদের অপরাধ স্বীকার করেছে। তাওহীদ মো. মোস্তাকিম দীর্ঘদিন ধরে ওই কিশোরীকে উত্ত্যক্ত করে আসছিল এবং তার প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় সহযোগীদের সহায়তায় তাকে অপহরণ করে কক্সবাজারে নিয়ে আসে। উদ্ধার হওয়া কিশোরী এবং গ্রেপ্তার হওয়া আসামিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য কক্সবাজার সদর মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব কর্মকর্তা আ. ম. ফারুক।
রিপোর্টারের নাম 
























