বরিশালের জেলা প্রশাসক (ডিসি) খায়রুল আলম সুমনের বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির তথ্য সাংবাদিকদের কাছে ফাঁস করে দেওয়ার সন্দেহে তার কার্যালয়ের প্রায় এক ডজন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে তড়িঘড়ি করে বদলি করা হয়েছে। বুধবার সকালে সর্বশেষ ছয়জন কর্মচারীকে বিভিন্ন উপজেলায় বদলি করা হয়। এর আগে একই অভিযোগে আরও পাঁচ কর্মকর্তাকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। এই গণবদলিকে কেন্দ্র করে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে ব্যাপক অস্থিরতা ও আতঙ্ক বিরাজ করছে।
অভিযোগ উঠেছে, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটকেন্দ্র ও অস্থায়ী ভোট কক্ষের অজুহাতে প্রায় ৬২ লাখ ৫০ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেছেন জেলা প্রশাসক। এছাড়া রিটার্নিং কর্মকর্তার কন্ট্রোল রুম, ফলাফল সংগ্রহ এবং পর্যবেক্ষক টিমের আপ্যায়নসহ বিভিন্ন খাতের জন্য বরাদ্দকৃত আরও ১৪ লাখ টাকা খরচে ব্যাপক অনিয়ম করা হয়েছে। ভুয়া বিল-ভাউচারের মাধ্যমে সরকারি অর্থ আত্মসাতের এই খবর সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পর থেকেই কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ওপর চড়াও হন ডিসি।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঈদুল আজহার ছুটির ঠিক আগমুহূর্তে এমন বদলি অত্যন্ত আক্রোশমূলক। বিশেষ করে যারা দুর্নীতির তথ্য জানতেন, তাদেরই সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনা প্রশাসনের ভেতরে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে এবং দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তের দাবি উঠেছে।
রিপোর্টারের নাম 






















