অটিজম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন ব্যক্তিদের যথাযথ পরিচর্যার মাধ্যমে সমাজের মূলধারায় অন্তর্ভুক্ত করার কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেছেন, একটি মানবিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ বিনির্মাণ এবং টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে এই জনগোষ্ঠীর প্রতি বিশেষ মনোযোগ দেওয়া জরুরি। প্রতিটি নাগরিকের মতো তাদেরও পূর্ণ মর্যাদা নিয়ে বেঁচে থাকার অধিকার রয়েছে।
‘বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস’ উপলক্ষে দেওয়া এক বিবৃতিতে প্রধানমন্ত্রী এই মন্তব্য করেন। তিনি জানান, বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও গুরুত্ব সহকারে এই দিবসটি পালিত হচ্ছে। সরকারের সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় এই দিবস পালনে যে উদ্যোগ নিয়েছে, তাকে স্বাগত জানান প্রধানমন্ত্রী। এবারের প্রতিপাদ্য—‘অটিজম কোনো সীমাবদ্ধতা নয়, প্রতিটি জীবন মূল্যবান’—অত্যন্ত সময়োপযোগী বলে তিনি উল্লেখ করেন।
প্রধানমন্ত্রী অটিজম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন শিশু, ব্যক্তি, তাদের পরিবার, চিকিৎসক, থেরাপিস্ট ও সহায়ক উপকরণ উদ্ভাবকসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে শুভেচ্ছা জানান। তিনি বলেন, বাংলাদেশ একটি জনবহুল দেশ, যেখানে বিপুল সংখ্যক শিশু ও ব্যক্তি অটিজম এবং স্নায়ুবিকাশজনিত সমস্যার মুখোমুখি। সরকার এই জনগোষ্ঠীর জন্য বিশেষ স্বাস্থ্যসেবা ইউনিট, শিক্ষাবৃত্তি এবং শিক্ষা উপকরণ সরবরাহসহ বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
তিনি আরও বলেন, সরকার এমন একটি বাংলাদেশ গড়তে চায়, যেখানে প্রতিটি মানুষ সীমাবদ্ধতা জয় করে নিজের স্বপ্ন পূরণের সুযোগ পাবে। মানবিক মর্যাদা, সামাজিক সক্ষমতা ও অর্থনৈতিক স্বাবলম্বীতা নিশ্চিত করতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে। সম্মিলিত প্রয়াস ও মানবিক দায়বদ্ধতার মাধ্যমে এমন একটি সমাজ গড়া সম্ভব, যেখানে সবাই সমান সুযোগ ও মর্যাদায় জীবনযাপন করতে পারবে বলে প্রধানমন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
রিপোর্টারের নাম 

























