ঢাকা ০৮:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৯ মে ২০২৬

১৮ লাখ টাকার চুক্তিতে নিয়োগ পরীক্ষায় ডিভাইসসহ ৫ প্রতারক আটক

পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগ পরীক্ষায় জালিয়াতির অভিযোগে পাঁচ পরীক্ষার্থীকে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (৯ মে) শেরপুরের নবারুণ পাবলিক স্কুলে অনুষ্ঠিত লিখিত পরীক্ষার কেন্দ্র থেকে তাদের আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, প্রতিজন পরীক্ষার্থীর কাছ থেকে ১৮ লাখ টাকা চুক্তিতে নিয়োগ পরীক্ষায় ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহার করে পাসের ব্যবস্থা করছিল একটি প্রতারক চক্র।

আটকদের মধ্যে রয়েছেন সদর উপজেলার মহিউর রহমান মশাল, মমিনুল ইসলাম মমিন, রসুল মিয়া, রায়হান হোসেন এবং চরপক্ষীমারী ইউনিয়নের শান্ত মিয়া।

পুলিশের ভাষ্যমতে, শেরপুরে ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদে নিয়োগের জন্য শারীরিক মাপ ও অন্যান্য ইভেন্টে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছিল। পরীক্ষা চলাকালীন পাঁচ পরীক্ষার্থীর কাছ থেকে অভিনব উপায়ে লুকানো ডিজিটাল ডিভাইস ও ক্ষুদ্র এয়ারফোন উদ্ধার করা হয়। ডিভাইসগুলো তাদের শরীরের বিভিন্ন অংশে, যেমন গেঞ্জির ভেতর বা জুতার ভেতরে লুকানো ছিল।

এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মিজানুর রহমান ভূঁঞা জানান, একটি সংঘবদ্ধ চক্র শারীরিক পরীক্ষা পাসের পর চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে লিখিত পরীক্ষার আগে ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহারের প্রশিক্ষণ দিত। এই চক্রটিকে চিহ্নিত করতে পুলিশ কাজ করছে এবং আটককৃতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাষ্ট্রপতির বিদেশ সফরের প্রটোকলে পরিবর্তন: বিমানবন্দরে উপস্থিতির তালিকা সংক্ষিপ্ত

১৮ লাখ টাকার চুক্তিতে নিয়োগ পরীক্ষায় ডিভাইসসহ ৫ প্রতারক আটক

আপডেট সময় : ০৭:২৭:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৯ মে ২০২৬

পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগ পরীক্ষায় জালিয়াতির অভিযোগে পাঁচ পরীক্ষার্থীকে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (৯ মে) শেরপুরের নবারুণ পাবলিক স্কুলে অনুষ্ঠিত লিখিত পরীক্ষার কেন্দ্র থেকে তাদের আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, প্রতিজন পরীক্ষার্থীর কাছ থেকে ১৮ লাখ টাকা চুক্তিতে নিয়োগ পরীক্ষায় ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহার করে পাসের ব্যবস্থা করছিল একটি প্রতারক চক্র।

আটকদের মধ্যে রয়েছেন সদর উপজেলার মহিউর রহমান মশাল, মমিনুল ইসলাম মমিন, রসুল মিয়া, রায়হান হোসেন এবং চরপক্ষীমারী ইউনিয়নের শান্ত মিয়া।

পুলিশের ভাষ্যমতে, শেরপুরে ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদে নিয়োগের জন্য শারীরিক মাপ ও অন্যান্য ইভেন্টে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছিল। পরীক্ষা চলাকালীন পাঁচ পরীক্ষার্থীর কাছ থেকে অভিনব উপায়ে লুকানো ডিজিটাল ডিভাইস ও ক্ষুদ্র এয়ারফোন উদ্ধার করা হয়। ডিভাইসগুলো তাদের শরীরের বিভিন্ন অংশে, যেমন গেঞ্জির ভেতর বা জুতার ভেতরে লুকানো ছিল।

এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মিজানুর রহমান ভূঁঞা জানান, একটি সংঘবদ্ধ চক্র শারীরিক পরীক্ষা পাসের পর চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে লিখিত পরীক্ষার আগে ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহারের প্রশিক্ষণ দিত। এই চক্রটিকে চিহ্নিত করতে পুলিশ কাজ করছে এবং আটককৃতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।