ঢাকা ১০:৪৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

ইন্দোনেশিয়ার সেন্ট্রাল জাভায় ভূমিধসে নিহত ৬

ইন্দোনেশিয়ার সেন্ট্রাল জাভা প্রদেশে টানা ভারী বৃষ্টির পর সৃষ্ট ভূমিধসে এ পর্যন্ত ছয়জন নিহত হয়েছে। শনিবার (১৫ নভেম্বর) দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আন্তারা জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত ১৭ জন নিখোঁজ রয়েছেন। তাদের উদ্ধারে তৎপরতা চলছে। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে। 

বৃহস্পতিবার সিলাকাপ শহরের সিবেউনিয়িং গ্রামে ভূমিধসটি ঘটেছিল। এতে এক ডজনের মতো বাড়ি চাপা পড়ে বলে দুর্যোগ কর্মকর্তা বুদি ইরাওয়ানের বরাত দিয়ে জানিয়েছে আন্তারা।

ইন্দোনেশিয়ার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থার উপ-প্রধান বলেছেন, “আমরা আরও তিনটি মৃতদেহ উদ্ধার করেছি। ফলে এখনও ১৭ জনকে খুঁজে পাওয়া বাকি। আমরা আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি।”

এর আগে সংস্থাটি আরও তিনটি মৃতদেহ উদ্ধার করেছিল।

তিনি আরও জানান, ঘটনাস্থলটি উদ্ধারকর্মীদের জন্য চ্যালেঞ্জিং। চাপা পড়া ঘরবাড়ির বাসিন্দারা ৩ থেকে ৮ মিটার (১০–২৫ ফুট) গভীরে চাপা পড়েছেন।

দেশটির আবহাওয়া সংস্থা জানায়, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এই দ্বীপরাষ্ট্রে সেপ্টেম্বর থেকে বর্ষা মৌসুম শুরু হয়েছে এবং তা এপ্রিল পর্যন্ত চলবে। এর ফলে অনেক এলাকায় বন্যা ও চরম বৃষ্টিপাতের ঝুঁকি বেড়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকা বিমানবন্দরে ছাত্রলীগের সাবেক নেতা আটক: হত্যাসহ একাধিক মামলার আসামি

ইন্দোনেশিয়ার সেন্ট্রাল জাভায় ভূমিধসে নিহত ৬

আপডেট সময় : ০৫:০৫:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ নভেম্বর ২০২৫

ইন্দোনেশিয়ার সেন্ট্রাল জাভা প্রদেশে টানা ভারী বৃষ্টির পর সৃষ্ট ভূমিধসে এ পর্যন্ত ছয়জন নিহত হয়েছে। শনিবার (১৫ নভেম্বর) দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আন্তারা জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত ১৭ জন নিখোঁজ রয়েছেন। তাদের উদ্ধারে তৎপরতা চলছে। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে। 

বৃহস্পতিবার সিলাকাপ শহরের সিবেউনিয়িং গ্রামে ভূমিধসটি ঘটেছিল। এতে এক ডজনের মতো বাড়ি চাপা পড়ে বলে দুর্যোগ কর্মকর্তা বুদি ইরাওয়ানের বরাত দিয়ে জানিয়েছে আন্তারা।

ইন্দোনেশিয়ার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থার উপ-প্রধান বলেছেন, “আমরা আরও তিনটি মৃতদেহ উদ্ধার করেছি। ফলে এখনও ১৭ জনকে খুঁজে পাওয়া বাকি। আমরা আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি।”

এর আগে সংস্থাটি আরও তিনটি মৃতদেহ উদ্ধার করেছিল।

তিনি আরও জানান, ঘটনাস্থলটি উদ্ধারকর্মীদের জন্য চ্যালেঞ্জিং। চাপা পড়া ঘরবাড়ির বাসিন্দারা ৩ থেকে ৮ মিটার (১০–২৫ ফুট) গভীরে চাপা পড়েছেন।

দেশটির আবহাওয়া সংস্থা জানায়, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এই দ্বীপরাষ্ট্রে সেপ্টেম্বর থেকে বর্ষা মৌসুম শুরু হয়েছে এবং তা এপ্রিল পর্যন্ত চলবে। এর ফলে অনেক এলাকায় বন্যা ও চরম বৃষ্টিপাতের ঝুঁকি বেড়েছে।