ঢাকা ০৩:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬

থ্যালাসেমিয়া মুক্ত সমাজ গড়তে বিয়ের আগে পরীক্ষার ওপর জোর সমাজকল্যাণ মন্ত্রীর

থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশুবিষয়কমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন। তিনি বলেন, থ্যালাসেমিয়া একটি বংশগত রক্তস্বল্পতাজনিত জটিল রোগ। যদি স্বামী ও স্ত্রী উভয়েই এই রোগের বাহক হন, তবেই তাদের সন্তানদের আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে। তাই অনাগত প্রজন্মের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে বিয়ের আগে রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে হবু দম্পতিরা থ্যালাসেমিয়ার বাহক কি না, তা যাচাই করা অত্যন্ত জরুরি।

বিশ্ব থ্যালাসেমিয়া দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশে প্রতি ৯ জনে একজন এই রোগের বাহক এবং প্রতি বছর প্রায় ৮ হাজার শিশু থ্যালাসেমিয়া নিয়ে জন্মগ্রহণ করছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়াকে নিয়মিত সচেতনতামূলক প্রচারণা চালানোর আহ্বান জানান তিনি।

মন্ত্রী আরও জানান, বর্তমান সরকার দেশের মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর। সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির মাধ্যমে পিছিয়ে পড়া মানুষকে মূলধারায় নিয়ে আসার কাজ চলছে। সেমিনার শেষে তিনি হাসপাতালটির ডে-কেয়ার সেন্টার পরিদর্শন করেন এবং সেখানে চিকিৎসাধীন রোগীদের সার্বিক অবস্থার খোঁজখবর নেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জুলাই থেকে প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের মাঝে পাটের স্কুল ব্যাগ ও ড্রেস বিতরণ শুরু

থ্যালাসেমিয়া মুক্ত সমাজ গড়তে বিয়ের আগে পরীক্ষার ওপর জোর সমাজকল্যাণ মন্ত্রীর

আপডেট সময় : ০২:৩১:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মে ২০২৬

থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশুবিষয়কমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন। তিনি বলেন, থ্যালাসেমিয়া একটি বংশগত রক্তস্বল্পতাজনিত জটিল রোগ। যদি স্বামী ও স্ত্রী উভয়েই এই রোগের বাহক হন, তবেই তাদের সন্তানদের আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে। তাই অনাগত প্রজন্মের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে বিয়ের আগে রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে হবু দম্পতিরা থ্যালাসেমিয়ার বাহক কি না, তা যাচাই করা অত্যন্ত জরুরি।

বিশ্ব থ্যালাসেমিয়া দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশে প্রতি ৯ জনে একজন এই রোগের বাহক এবং প্রতি বছর প্রায় ৮ হাজার শিশু থ্যালাসেমিয়া নিয়ে জন্মগ্রহণ করছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়াকে নিয়মিত সচেতনতামূলক প্রচারণা চালানোর আহ্বান জানান তিনি।

মন্ত্রী আরও জানান, বর্তমান সরকার দেশের মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর। সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির মাধ্যমে পিছিয়ে পড়া মানুষকে মূলধারায় নিয়ে আসার কাজ চলছে। সেমিনার শেষে তিনি হাসপাতালটির ডে-কেয়ার সেন্টার পরিদর্শন করেন এবং সেখানে চিকিৎসাধীন রোগীদের সার্বিক অবস্থার খোঁজখবর নেন।