ফরিদপুর শহরের গোয়ালচামট এলাকায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে একটি মাদ্রাসার টিনশেড ভবন উচ্ছেদ করা হয়েছে। এ সময় বাধা দিতে গেলে দুই শিক্ষককে মারধর করা হয়। পরে এর প্রতিক্রিয়ায় স্থানীয় একটি সুপারশপে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।
বুধবার (৭ মে) বিকেলে শহরের গোয়ালচামট এলাকার জামিয়া ইসলামিয়া আশরাফুল উলুম মাদ্রাসায় এই ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস) ফরিদপুর জেলা শাখার সহসভাপতি আবদুল আলিমের নেতৃত্বে একটি দল ভেকু মেশিন ব্যবহার করে মাদ্রাসার ভবনটি ভেঙে দেয়। এ সময় মাদ্রাসার শিক্ষক মাওলানা মুহিবউল্লাহকে মারধর করা হয়, যিনি বর্তমানে ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। অভিযোগ রয়েছে, ফরিদপুর মহানগর যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক নাহিদ এবং স্বেচ্ছাসেবক দল কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি আবদুল কুদ্দুস এই ভাঙচুরে নেতৃত্ব দেন।
মাদ্রাসা ভাঙচুর ও শিক্ষক মারধরের পর সন্ধ্যায় মাদ্রাসা সংলগ্ন আবদুল আলিমের সুপারশপে হামলা চালানো হয়। সেখানে ভাঙচুরের পর আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। স্থানীয়দের মতে, জমি নিয়ে আবদুল আলিম ও মাদ্রাসার শিক্ষক মাওলানা মহিবুল্লাহর মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ চলছিল, যা এই ঘটনার মূলে রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। তবে স্থানীয়দের মধ্যে নতুন করে সংঘর্ষের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
এ বিষয়ে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহামুদুল হাসান জানিয়েছেন, পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। উভয়পক্ষের মধ্যে জমি সংক্রান্ত বিরোধ ছিল এবং অভিযোগের ভিত্তিতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
রিপোর্টারের নাম 




















