ঢাকা ০৯:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা ও বিশ্বরাজনীতিতে চীনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব

পারস্য উপসাগরে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান সংঘাত বিশ্বরাজনীতির সমীকরণ বদলে দিচ্ছে। বর্তমানে একটি ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও উভয় পক্ষের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। যুক্তরাষ্ট্র ইরানি বন্দর ও জাহাজ অবরোধ করে রেখেছে, অন্যদিকে ইরান মার্কিন জাহাজে হামলার চেষ্টা চালাচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে ওয়াশিংটনের অস্থির পররাষ্ট্রনীতি বেইজিংয়ের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘একলা চলো’ নীতি এবং মিত্রদের প্রতি উদাসীনতা বিশ্বমঞ্চে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানকে নড়বড়ে করছে। এমনকি মার্কিন নাগরিকরাও এখন মনে করছেন যে তাদের দেশ অন্যদের স্বার্থকে গুরুত্ব দিচ্ছে না। এই সুযোগে চীন নিজেকে একটি ‘দায়িত্বশীল বিশ্বশক্তি’ হিসেবে প্রমাণ করার চেষ্টা চালাচ্ছে এবং গ্লোবাল সাউথের দেশগুলোর আস্থা অর্জনে সক্ষম হচ্ছে।

ইউক্রেন যুদ্ধের পর ইরান সংকট চীনকে একঘরে অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসার বড় ক্ষেত্র তৈরি করে দিয়েছে। ট্রাম্পের হঠকারী সিদ্ধান্তের বিপরীতে অনেক পশ্চিমা নেতাই এখন বেইজিংয়ের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে আগ্রহী হচ্ছেন। চীন নিজেকে ইতিহাসের সঠিক পক্ষে দাবি করে বিশ্বমঞ্চে পেশিশক্তির বদলে আলোচনার মাধ্যমে সংকট সমাধানের আহ্বান জানাচ্ছে, যা দেশটিকে বিশ্বক্ষমতার অন্যতম কেন্দ্রে পরিণত করছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পাঁচ বছরের বিরতি ভেঙে সাদের নতুন কাজ ‘অ্যানি’, বিশ্বমঞ্চে নাজিফা তুষি

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা ও বিশ্বরাজনীতিতে চীনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব

আপডেট সময় : ০৭:০০:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬

পারস্য উপসাগরে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান সংঘাত বিশ্বরাজনীতির সমীকরণ বদলে দিচ্ছে। বর্তমানে একটি ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও উভয় পক্ষের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। যুক্তরাষ্ট্র ইরানি বন্দর ও জাহাজ অবরোধ করে রেখেছে, অন্যদিকে ইরান মার্কিন জাহাজে হামলার চেষ্টা চালাচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে ওয়াশিংটনের অস্থির পররাষ্ট্রনীতি বেইজিংয়ের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘একলা চলো’ নীতি এবং মিত্রদের প্রতি উদাসীনতা বিশ্বমঞ্চে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানকে নড়বড়ে করছে। এমনকি মার্কিন নাগরিকরাও এখন মনে করছেন যে তাদের দেশ অন্যদের স্বার্থকে গুরুত্ব দিচ্ছে না। এই সুযোগে চীন নিজেকে একটি ‘দায়িত্বশীল বিশ্বশক্তি’ হিসেবে প্রমাণ করার চেষ্টা চালাচ্ছে এবং গ্লোবাল সাউথের দেশগুলোর আস্থা অর্জনে সক্ষম হচ্ছে।

ইউক্রেন যুদ্ধের পর ইরান সংকট চীনকে একঘরে অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসার বড় ক্ষেত্র তৈরি করে দিয়েছে। ট্রাম্পের হঠকারী সিদ্ধান্তের বিপরীতে অনেক পশ্চিমা নেতাই এখন বেইজিংয়ের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে আগ্রহী হচ্ছেন। চীন নিজেকে ইতিহাসের সঠিক পক্ষে দাবি করে বিশ্বমঞ্চে পেশিশক্তির বদলে আলোচনার মাধ্যমে সংকট সমাধানের আহ্বান জানাচ্ছে, যা দেশটিকে বিশ্বক্ষমতার অন্যতম কেন্দ্রে পরিণত করছে।