ঢাকা ০৯:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬

বিপিএল ফিক্সিং কাণ্ড: ক্রিকেটারসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ২০২৫ আসরকে সামনে রেখে ফিক্সিং ও জুয়ার অভিযোগে ক্রিকেটার অমিত মজুমদারসহ চারজনের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। বিসিবি ইনটেগ্রিটি ইউনিটের (বিসিআইইউ) দীর্ঘ তদন্তের পর তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির প্রমাণ মেলায় সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

বিসিবির বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, অভিযুক্তরা আইসিসি দুর্নীতি বিরোধী বিধিমালার বিভিন্ন ধারা লঙ্ঘন করেছেন। তাদের বিরুদ্ধে জুয়ায় সম্পৃক্ততা, দুর্নীতির প্রস্তাব দেওয়া এবং তদন্ত কাজে অসহযোগিতার প্রমাণ পাওয়া গেছে। অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন ক্রিকেটার অমিত মজুমদার, দুই টিম ম্যানেজার মো. লাবলুর রহমান ও রেজওয়ান কবির সিদ্দিকী এবং ফ্র্যাঞ্চাইজি সহ-মালিক মো. তৌহিদুল হক তৌহিদ।

অভিযুক্তদের মধ্যে অমিত মজুমদার ম্যাচের ফলাফল বা পরিস্থিতির ওপর বাজি ধরা বা বাজিতে অংশগ্রহণের দায়ে অভিযুক্ত হয়েছেন। টিম ম্যানেজার মো. লাবলুর রহমান তদন্তে অসহযোগিতা এবং তথ্য মুছে ফেলার মাধ্যমে তদন্তে বাধা সৃষ্টির অভিযোগ এনেছেন। রেজওয়ান কবির সিদ্দিকীর বিরুদ্ধেও ম্যাচের ওপর বাজি ধরা বা বাজিতে অংশ নেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে। ফ্র্যাঞ্চাইজি সহ-মালিক মো. তৌহিদুল হক তৌহিদের বিরুদ্ধে তদন্তে সহযোগিতা করতে অস্বীকৃতি এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ধ্বংস বা গোপন করার অভিযোগ রয়েছে।

এই চারজনকে আপাতত সব ধরনের ক্রিকেটীয় কর্মকাণ্ড থেকে সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে। তাদের আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য ১৪ দিন সময় দেওয়া হয়েছে, এই সময়ের মধ্যে তারা অভিযোগের জবাব দেবেন।

এছাড়াও, বিপিএলের আগের তিনটি আসরে দুর্নীতির সাথে জড়িত থাকার দায়ে সামিনুর রহমান নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে স্থায়ী বহিষ্কারাদেশ জারি করা হয়েছে। তিনি দেশি-বিদেশি বেটিং সিন্ডিকেটের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে খেলোয়াড়দের দুর্নীতির প্রস্তাব দিতেন বলে তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে এবং তিনি তার দোষ স্বীকার করেছেন।

বিসিবি জানিয়েছে, ক্রিকেটের স্বচ্ছতা বজায় রাখতে দুর্নীতির বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না এবং অভিযোগের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত এ বিষয়ে আর কোনো মন্তব্য করা হবে না।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পাঁচ বছরের বিরতি ভেঙে সাদের নতুন কাজ ‘অ্যানি’, বিশ্বমঞ্চে নাজিফা তুষি

বিপিএল ফিক্সিং কাণ্ড: ক্রিকেটারসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা

আপডেট সময় : ০৮:১৬:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) ২০২৫ আসরকে সামনে রেখে ফিক্সিং ও জুয়ার অভিযোগে ক্রিকেটার অমিত মজুমদারসহ চারজনের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। বিসিবি ইনটেগ্রিটি ইউনিটের (বিসিআইইউ) দীর্ঘ তদন্তের পর তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির প্রমাণ মেলায় সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

বিসিবির বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, অভিযুক্তরা আইসিসি দুর্নীতি বিরোধী বিধিমালার বিভিন্ন ধারা লঙ্ঘন করেছেন। তাদের বিরুদ্ধে জুয়ায় সম্পৃক্ততা, দুর্নীতির প্রস্তাব দেওয়া এবং তদন্ত কাজে অসহযোগিতার প্রমাণ পাওয়া গেছে। অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন ক্রিকেটার অমিত মজুমদার, দুই টিম ম্যানেজার মো. লাবলুর রহমান ও রেজওয়ান কবির সিদ্দিকী এবং ফ্র্যাঞ্চাইজি সহ-মালিক মো. তৌহিদুল হক তৌহিদ।

অভিযুক্তদের মধ্যে অমিত মজুমদার ম্যাচের ফলাফল বা পরিস্থিতির ওপর বাজি ধরা বা বাজিতে অংশগ্রহণের দায়ে অভিযুক্ত হয়েছেন। টিম ম্যানেজার মো. লাবলুর রহমান তদন্তে অসহযোগিতা এবং তথ্য মুছে ফেলার মাধ্যমে তদন্তে বাধা সৃষ্টির অভিযোগ এনেছেন। রেজওয়ান কবির সিদ্দিকীর বিরুদ্ধেও ম্যাচের ওপর বাজি ধরা বা বাজিতে অংশ নেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে। ফ্র্যাঞ্চাইজি সহ-মালিক মো. তৌহিদুল হক তৌহিদের বিরুদ্ধে তদন্তে সহযোগিতা করতে অস্বীকৃতি এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ধ্বংস বা গোপন করার অভিযোগ রয়েছে।

এই চারজনকে আপাতত সব ধরনের ক্রিকেটীয় কর্মকাণ্ড থেকে সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে। তাদের আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য ১৪ দিন সময় দেওয়া হয়েছে, এই সময়ের মধ্যে তারা অভিযোগের জবাব দেবেন।

এছাড়াও, বিপিএলের আগের তিনটি আসরে দুর্নীতির সাথে জড়িত থাকার দায়ে সামিনুর রহমান নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে স্থায়ী বহিষ্কারাদেশ জারি করা হয়েছে। তিনি দেশি-বিদেশি বেটিং সিন্ডিকেটের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে খেলোয়াড়দের দুর্নীতির প্রস্তাব দিতেন বলে তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে এবং তিনি তার দোষ স্বীকার করেছেন।

বিসিবি জানিয়েছে, ক্রিকেটের স্বচ্ছতা বজায় রাখতে দুর্নীতির বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না এবং অভিযোগের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত এ বিষয়ে আর কোনো মন্তব্য করা হবে না।