ইসলামের পঞ্চস্তম্ভের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত হলো হজ। যুগে যুগে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা আল্লাহর আহ্বানে সাড়া দিয়ে বাইতুল্লাহ জিয়ারতে ছুটে গিয়েছেন। এই পবিত্র সফরের অভিজ্ঞতা নিয়ে অনেকেই লিখে গেছেন মূল্যবান সফরনামা, যা পরবর্তী প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা ও ইতিহাসের দলিল হয়ে আছে। এমনই দুই ভিন্ন যুগের প্রখ্যাত পর্যটকের হজের অভিজ্ঞতা ইতিহাসে বিশেষভাবে স্মরণীয়।
বিশ্বখ্যাত পর্যটক ইবনে বতুতা ১৩২৬ খ্রিষ্টাব্দে হজে গিয়েছিলেন। তাঁর বর্ণনায় ফুটে উঠেছে তৎকালীন মক্কা ও মদিনার আধ্যাত্মিক পরিবেশ। তিনি যখন প্রথমবার কাবার সামনে দাঁড়ান, সেই মুহূর্তের বর্ণনা দিতে গিয়ে তিনি এর মহিমা ও সৌন্দর্যে অভিভূত হওয়ার কথা উল্লেখ করেন। জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা দিলে তৎকালীন সময়ে ঢোল ও দফ বাজিয়ে যে উৎসবমুখর ঘোষণা দেওয়া হতো, তারও বর্ণনা পাওয়া যায় তাঁর লেখায়।
অন্যদিকে, বিংশ শতাব্দীর শুরুতে ১৯০৯ খ্রিষ্টাব্দে হজে যান মিসরের ইতিহাসবিদ মুহাম্মদ লাবিব বাতনুনি। তাঁর বর্ণনায় উঠে এসেছে আধুনিকতার ছোঁয়া লাগার আগের হজের চিত্র। জিলহজের ৭ তারিখে খতিব সাহেবের ভাষণ থেকে শুরু করে মিনা ও আরাফায় অবস্থানের সেই ঐতিহাসিক মুহূর্তগুলো তাঁরা পরম মমতায় তাঁদের লেখনীতে ধরে রেখেছেন। এই সফরনামাগুলো কেবল ভ্রমণের বিবরণ নয়, বরং তৎকালীন মুসলিম বিশ্বের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের প্রতিফলন।
রিপোর্টারের নাম 
























