ইরানের ‘শাহেদ’ ড্রোন আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রে নিজেদের কার্যকারিতা প্রমাণ করার পর থেকেই তুরস্ক তাদের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি আত্মঘাতী বা ‘কামিকাজে’ ড্রোন নিয়ে কাজ শুরু করেছে। বিশেষ করে ইসরায়েল ও ইরানের সাম্প্রতিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে তুরস্ক তাদের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়াতে এই উদ্যোগ নিয়েছে। তুরস্কের শীর্ষস্থানীয় অস্ত্র নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ‘বায়কার’ বিশেষ প্রযুক্তির তিনটি ড্রোন—কে২, সিভ্রিসিনেক এবং মিজরাক তৈরি করেছে, যা শাহেদ ড্রোনের সঙ্গে সরাসরি প্রতিযোগিতায় লিপ্ত।
তুরস্কের নতুন এই ড্রোনগুলোর মধ্যে ‘কে২’ মডেলটি ২০০ কেজি পর্যন্ত গোলাবারুদ বহন করতে সক্ষম এবং কোনো স্যাটেলাইট সংযোগ ছাড়াই প্রায় দুই হাজার কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে পারে। ১৩ ঘণ্টা একটানা উড়তে সক্ষম এই ড্রোনটি নির্ভুলভাবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে। অন্যদিকে, সম্প্রতি উন্মোচিত ‘সিভ্রিসিনেক’ ড্রোনটি প্রায় এক হাজার কিলোমিটার পাল্লায় ২০ কেজি ওজনের ওয়ারহেড বহন করতে সক্ষম, যা ইরানের শাহেদ-১৩১ ড্রোনের সক্ষমতাকে চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছে। তুরস্কের এই নতুন প্রযুক্তির ড্রোনগুলো ভবিষ্যতে আঞ্চলিক ভূ-রাজনীতিতে বড় প্রভাব ফেলবে বলে ধারণা করছেন বিশেষজ্ঞরা।
রিপোর্টারের নাম 






















