ঢাকা ০৩:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬

ধ্বংসস্তূপের মাঝে বিলাসবহুল ক্যাফে: গাজায় চরম বৈষম্যের এক ভিন্ন চিত্র

গাজা সিটির চারদিকে যুদ্ধের তাণ্ডবে ধ্বংসস্তূপ আর আবর্জনার স্তূপ। এর মাঝেই হঠাৎ চোখে পড়ে কাচঘেরা আধুনিক ও বিলাসবহুল ক্যাফে-রেস্তোরাঁ। এসব স্থাপনার ঝলমলে আলো আর দামি আসবাব দেখে দূর থেকে মনে হতে পারে গাজায় হয়তো স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে এসেছে। তবে এই দৃশ্যমান চাকচিক্যের আড়ালে লুকিয়ে আছে এক চরম বৈষম্য ও যুদ্ধের নির্মম বাস্তবতা।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইসরায়েলপন্থি বিভিন্ন অ্যাকাউন্ট থেকে এসব ক্যাফের ছবি ব্যবহার করে দাবি করা হচ্ছে যে, গাজায় জীবনযাত্রা স্বাভাবিক। কিন্তু সরেজমিনে দেখা গেছে, এই বিলাসবহুল ক্যাফেগুলো সাধারণ মানুষের জন্য নয়। যুদ্ধের আগে যারা সাধারণ ক্যাফেতে যাওয়ার সামর্থ্য রাখতেন, তারা এখন তাঁবুতে বাস করছেন এবং ত্রাণের ওপর নির্ভরশীল। মূলত যুদ্ধের সুযোগ নিয়ে যারা চোরাচালান ও পণ্য মজুতের মাধ্যমে বিত্তশালী হয়েছে, সেই মুনাফাখোররাই এসব ক্যাফের মালিক ও প্রধান গ্রাহক।

বিশ্লেষকদের মতে, গাজার এই তথাকথিত বিলাসিতা কোনোভাবেই স্থিতিশীলতার লক্ষণ নয়। যেখানে সাধারণ মানুষের কাছে একবেলা খাবার জোগান দেওয়া দুঃসাধ্য হয়ে পড়েছে, সেখানে খাবারের আকাশচুম্বী দাম সাধারণের নাগালের বাইরে। ধ্বংসস্তূপের মাঝে এমন বিলাসবহুল স্থাপনাগুলো মূলত গাজার ভেঙে পড়া সামাজিক কাঠামো এবং ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক বৈষম্যেরই প্রতিফলন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার প্রত্যয়ে রাজধানীতে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও সমাবেশ

ধ্বংসস্তূপের মাঝে বিলাসবহুল ক্যাফে: গাজায় চরম বৈষম্যের এক ভিন্ন চিত্র

আপডেট সময় : ০৮:৩০:৪৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬

গাজা সিটির চারদিকে যুদ্ধের তাণ্ডবে ধ্বংসস্তূপ আর আবর্জনার স্তূপ। এর মাঝেই হঠাৎ চোখে পড়ে কাচঘেরা আধুনিক ও বিলাসবহুল ক্যাফে-রেস্তোরাঁ। এসব স্থাপনার ঝলমলে আলো আর দামি আসবাব দেখে দূর থেকে মনে হতে পারে গাজায় হয়তো স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে এসেছে। তবে এই দৃশ্যমান চাকচিক্যের আড়ালে লুকিয়ে আছে এক চরম বৈষম্য ও যুদ্ধের নির্মম বাস্তবতা।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইসরায়েলপন্থি বিভিন্ন অ্যাকাউন্ট থেকে এসব ক্যাফের ছবি ব্যবহার করে দাবি করা হচ্ছে যে, গাজায় জীবনযাত্রা স্বাভাবিক। কিন্তু সরেজমিনে দেখা গেছে, এই বিলাসবহুল ক্যাফেগুলো সাধারণ মানুষের জন্য নয়। যুদ্ধের আগে যারা সাধারণ ক্যাফেতে যাওয়ার সামর্থ্য রাখতেন, তারা এখন তাঁবুতে বাস করছেন এবং ত্রাণের ওপর নির্ভরশীল। মূলত যুদ্ধের সুযোগ নিয়ে যারা চোরাচালান ও পণ্য মজুতের মাধ্যমে বিত্তশালী হয়েছে, সেই মুনাফাখোররাই এসব ক্যাফের মালিক ও প্রধান গ্রাহক।

বিশ্লেষকদের মতে, গাজার এই তথাকথিত বিলাসিতা কোনোভাবেই স্থিতিশীলতার লক্ষণ নয়। যেখানে সাধারণ মানুষের কাছে একবেলা খাবার জোগান দেওয়া দুঃসাধ্য হয়ে পড়েছে, সেখানে খাবারের আকাশচুম্বী দাম সাধারণের নাগালের বাইরে। ধ্বংসস্তূপের মাঝে এমন বিলাসবহুল স্থাপনাগুলো মূলত গাজার ভেঙে পড়া সামাজিক কাঠামো এবং ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক বৈষম্যেরই প্রতিফলন।