ঢাকা ০৩:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬

মরুভূমিতে রূপান্তর: বিংশ শতাব্দীর ভয়াবহ পরিবেশ বিপর্যয়ের সাক্ষী আরাল সাগর

মধ্য এশিয়ার কাজাখস্তান ও উজবেকিস্তানের সীমান্তজুড়ে একসময় প্রবহমান আরাল সাগর ছিল বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম হ্রদ। মৎস্যসম্পদ এবং সমৃদ্ধ বাস্তুতন্ত্রের আধার এই জলাধারটি স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করত। কিন্তু বর্তমানে সেই বিশাল জলরাশির অস্তিত্ব প্রায় বিলীন। আরাল সাগর এখন তার মূল আয়তনের এক-দশমাংশেরও নিচে নেমে এসেছে।

বিংশ শতাব্দীর অন্যতম ভয়াবহ এই পরিবেশ বিপর্যয়ের জন্য ১৯৬০-এর দশককে দায়ী করা হয়। সেসময় সোভিয়েত ইউনিয়নের পরিকল্পনায় আমু দরিয়া ও সির দরিয়া নদীর গতিপথ পরিবর্তন করে তুলা চাষে ব্যবহারের জন্য সরিয়ে নেওয়া হয়। ফলে সাগরে পানির প্রবাহ বন্ধ হয়ে যায় এবং প্রাকৃতিক বাষ্পীভবনে সাগরটি শুকিয়ে যেতে থাকে। বর্তমানে এর তলদেশ ‘আরালকুম মরুভূমি’ নামে পরিচিত, যা বিশ্বের নবীনতম মরুভূমিগুলোর একটি। পরিত্যক্ত জাহাজগুলো এখন সেই সময়ের সমৃদ্ধি ও বর্তমান মরুভূমির নীরব সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার প্রত্যয়ে রাজধানীতে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও সমাবেশ

মরুভূমিতে রূপান্তর: বিংশ শতাব্দীর ভয়াবহ পরিবেশ বিপর্যয়ের সাক্ষী আরাল সাগর

আপডেট সময় : ০৬:২৭:২৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬

মধ্য এশিয়ার কাজাখস্তান ও উজবেকিস্তানের সীমান্তজুড়ে একসময় প্রবহমান আরাল সাগর ছিল বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম হ্রদ। মৎস্যসম্পদ এবং সমৃদ্ধ বাস্তুতন্ত্রের আধার এই জলাধারটি স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করত। কিন্তু বর্তমানে সেই বিশাল জলরাশির অস্তিত্ব প্রায় বিলীন। আরাল সাগর এখন তার মূল আয়তনের এক-দশমাংশেরও নিচে নেমে এসেছে।

বিংশ শতাব্দীর অন্যতম ভয়াবহ এই পরিবেশ বিপর্যয়ের জন্য ১৯৬০-এর দশককে দায়ী করা হয়। সেসময় সোভিয়েত ইউনিয়নের পরিকল্পনায় আমু দরিয়া ও সির দরিয়া নদীর গতিপথ পরিবর্তন করে তুলা চাষে ব্যবহারের জন্য সরিয়ে নেওয়া হয়। ফলে সাগরে পানির প্রবাহ বন্ধ হয়ে যায় এবং প্রাকৃতিক বাষ্পীভবনে সাগরটি শুকিয়ে যেতে থাকে। বর্তমানে এর তলদেশ ‘আরালকুম মরুভূমি’ নামে পরিচিত, যা বিশ্বের নবীনতম মরুভূমিগুলোর একটি। পরিত্যক্ত জাহাজগুলো এখন সেই সময়ের সমৃদ্ধি ও বর্তমান মরুভূমির নীরব সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।