ঢাকা ০৯:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি মোকাবিলায় সুদের হার অপরিবর্তিত রাখল ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৪৭:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং বিশ্ব অর্থনীতির অস্থিরতার কথা বিবেচনা করে সুদের হার অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক (ইসিবি)। ইউরো ব্যবহারকারী দেশগুলোর জন্য আমানত সুদের হার ২ শতাংশে বজায় রাখা হয়েছে। মূলত ক্রমবর্ধমান মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির শ্লথগতি মোকাবিলায় এই সতর্ক অবস্থান নিয়েছে সংস্থাটি।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে প্রবৃদ্ধি ব্যাহত হওয়ার সম্ভাবনা আগের চেয়ে জোরালো হয়েছে। যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানি ও নিত্যপণ্যের বাজারে যে অস্থিতিশীলতা তৈরি হয়েছে, তা মূল্যস্ফীতিকে আরও উসকে দিতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে সুদের হার না কমিয়ে স্থিতিশীল রাখাই বর্তমান সময়ের সবচেয়ে যৌক্তিক পদক্ষেপ বলে মনে করছে ইসিবি।

অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ২০২৫ সালের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত এই হার অপরিবর্তিত থাকতে পারে। ইউরোপের দেশগুলোতে আর্থিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থা ধরে রাখতেই কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই কঠোর মুদ্রানীতি অনুসরণ করছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সংরক্ষিত নারী আসনের ৪৯ এমপির গেজেট প্রকাশ, শপথের প্রস্তুতি

মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি মোকাবিলায় সুদের হার অপরিবর্তিত রাখল ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক

আপডেট সময় : ০৮:৪৭:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং বিশ্ব অর্থনীতির অস্থিরতার কথা বিবেচনা করে সুদের হার অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক (ইসিবি)। ইউরো ব্যবহারকারী দেশগুলোর জন্য আমানত সুদের হার ২ শতাংশে বজায় রাখা হয়েছে। মূলত ক্রমবর্ধমান মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির শ্লথগতি মোকাবিলায় এই সতর্ক অবস্থান নিয়েছে সংস্থাটি।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে প্রবৃদ্ধি ব্যাহত হওয়ার সম্ভাবনা আগের চেয়ে জোরালো হয়েছে। যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানি ও নিত্যপণ্যের বাজারে যে অস্থিতিশীলতা তৈরি হয়েছে, তা মূল্যস্ফীতিকে আরও উসকে দিতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে সুদের হার না কমিয়ে স্থিতিশীল রাখাই বর্তমান সময়ের সবচেয়ে যৌক্তিক পদক্ষেপ বলে মনে করছে ইসিবি।

অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ২০২৫ সালের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত এই হার অপরিবর্তিত থাকতে পারে। ইউরোপের দেশগুলোতে আর্থিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থা ধরে রাখতেই কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই কঠোর মুদ্রানীতি অনুসরণ করছে।