ঢাকা ১০:৩৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬

আন্তর্জাতিক জলসীমায় গাজাগামী ত্রাণবাহী বহরে ইসরায়েলি নৌবাহিনীর হানা

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:২৮:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
  • ৭ বার পড়া হয়েছে

গাজায় মানবিক সহায়তা নিয়ে যাওয়ার পথে ‘গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা’ নামক একটি ত্রাণবাহী বহরে অভিযান চালিয়েছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। আন্তর্জাতিক জলসীমায় গ্রিসের ক্রিট দ্বীপের অদূরে গত রাতে এই অভিযান ও নৌকা জব্দের ঘটনা ঘটে। ফ্লোটিলা ট্র্যাকার ম্যাপের তথ্য অনুযায়ী, ইসরায়েলি সেনারা এ পর্যন্ত ২২টি নৌকা জব্দ করেছে, তবে আরও ৩৬টি নৌকা গাজার অভিমুখে যাত্রা অব্যাহত রেখেছে।

অভিযান চলাকালীন ইসরায়েলি বাহিনী ড্রোন, যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন করার প্রযুক্তি (জ্যামিং টেকনোলজি) এবং সশস্ত্র বিশেষ কমান্ডো দল ব্যবহার করেছে। ফিলিস্তিন ভূখণ্ডের মানবাধিকার বিষয়ক জাতিসংঘের বিশেষ দূত ফ্রান্সেস্কা আলবানিজ এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে একে ‘সীমানাহীন বর্ণবাদ’ বলে আখ্যায়িত করেছেন।

গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলার মুখপাত্র গুর সাবর এই ঘটনাকে নিরস্ত্র বেসামরিক মানুষের ওপর সরাসরি হামলা হিসেবে বর্ণনা করেছেন। ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের রাজনৈতিক নেতারাও এই সামরিক পদক্ষেপের প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তাদের মতে, আন্তর্জাতিক জলসীমায় এ ধরনের হস্তক্ষেপ আন্তর্জাতিক আইনের চরম লঙ্ঘন এবং মানবিক সহায়তার পথে বড় বাধা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সরকারি বাইসাইকেল বিতরণে অনিয়ম: কোটচাঁদপুর জামায়াত আমির বরখাস্ত

আন্তর্জাতিক জলসীমায় গাজাগামী ত্রাণবাহী বহরে ইসরায়েলি নৌবাহিনীর হানা

আপডেট সময় : ০৭:২৮:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

গাজায় মানবিক সহায়তা নিয়ে যাওয়ার পথে ‘গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা’ নামক একটি ত্রাণবাহী বহরে অভিযান চালিয়েছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। আন্তর্জাতিক জলসীমায় গ্রিসের ক্রিট দ্বীপের অদূরে গত রাতে এই অভিযান ও নৌকা জব্দের ঘটনা ঘটে। ফ্লোটিলা ট্র্যাকার ম্যাপের তথ্য অনুযায়ী, ইসরায়েলি সেনারা এ পর্যন্ত ২২টি নৌকা জব্দ করেছে, তবে আরও ৩৬টি নৌকা গাজার অভিমুখে যাত্রা অব্যাহত রেখেছে।

অভিযান চলাকালীন ইসরায়েলি বাহিনী ড্রোন, যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন করার প্রযুক্তি (জ্যামিং টেকনোলজি) এবং সশস্ত্র বিশেষ কমান্ডো দল ব্যবহার করেছে। ফিলিস্তিন ভূখণ্ডের মানবাধিকার বিষয়ক জাতিসংঘের বিশেষ দূত ফ্রান্সেস্কা আলবানিজ এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে একে ‘সীমানাহীন বর্ণবাদ’ বলে আখ্যায়িত করেছেন।

গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলার মুখপাত্র গুর সাবর এই ঘটনাকে নিরস্ত্র বেসামরিক মানুষের ওপর সরাসরি হামলা হিসেবে বর্ণনা করেছেন। ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের রাজনৈতিক নেতারাও এই সামরিক পদক্ষেপের প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তাদের মতে, আন্তর্জাতিক জলসীমায় এ ধরনের হস্তক্ষেপ আন্তর্জাতিক আইনের চরম লঙ্ঘন এবং মানবিক সহায়তার পথে বড় বাধা।