ঢাকা ১০:২৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতার জন্য মার্কিন সামরিক উপস্থিতি দায়ী: ইরানের সর্বোচ্চ নেতা

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:১৮:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
  • ১৩ বার পড়া হয়েছে

মধ্যপ্রাচ্যে বিরাজমান অস্থিরতা ও নিরাপত্তাহীনতার জন্য ওই অঞ্চলে মার্কিন সামরিক বাহিনীর উপস্থিতি এবং তাদের ঘাঁটি স্থাপনকে দায়ী করেছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আল-সাইয়্যেদ আলি খামেনি। সম্প্রতি ইরান ও ইসরাইলের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলার প্রেক্ষাপটে তিনি এই মন্তব্য করেন।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা বলেন, ‘এটি প্রমাণিত যে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন বাহিনীর উপস্থিতি এবং তাদের ঘাঁটি গেড়ে থাকাই এই অঞ্চলের নিরাপত্তাহীনতার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কারণ।’ তিনি আরও মন্তব্য করেন যে, আমেরিকার এই ‘পুতুল ঘাঁটিগুলোর’ নিজস্ব নিরাপত্তা নিশ্চিত করার মতো সামর্থ্য নেই, তাই তারা এই অঞ্চলের তাদের ওপর নির্ভরশীল বা আমেরিকাপন্থীদের নিরাপত্তা দিতে পারবে এমন আশা করা বৃথা।

খামেনি মনে করেন, মধ্যপ্রাচ্যে বিদেশি শক্তির হস্তক্ষেপই মূলত আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতাকে উসকে দিচ্ছে। তার এই বক্তব্য মূলত আঞ্চলিক দেশগুলোকে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভরতা কমানোর বার্তা দিতেই দেওয়া হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সরকারি বাইসাইকেল বিতরণে অনিয়ম: কোটচাঁদপুর জামায়াত আমির বরখাস্ত

মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতার জন্য মার্কিন সামরিক উপস্থিতি দায়ী: ইরানের সর্বোচ্চ নেতা

আপডেট সময় : ০৬:১৮:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে বিরাজমান অস্থিরতা ও নিরাপত্তাহীনতার জন্য ওই অঞ্চলে মার্কিন সামরিক বাহিনীর উপস্থিতি এবং তাদের ঘাঁটি স্থাপনকে দায়ী করেছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আল-সাইয়্যেদ আলি খামেনি। সম্প্রতি ইরান ও ইসরাইলের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলার প্রেক্ষাপটে তিনি এই মন্তব্য করেন।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা বলেন, ‘এটি প্রমাণিত যে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন বাহিনীর উপস্থিতি এবং তাদের ঘাঁটি গেড়ে থাকাই এই অঞ্চলের নিরাপত্তাহীনতার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কারণ।’ তিনি আরও মন্তব্য করেন যে, আমেরিকার এই ‘পুতুল ঘাঁটিগুলোর’ নিজস্ব নিরাপত্তা নিশ্চিত করার মতো সামর্থ্য নেই, তাই তারা এই অঞ্চলের তাদের ওপর নির্ভরশীল বা আমেরিকাপন্থীদের নিরাপত্তা দিতে পারবে এমন আশা করা বৃথা।

খামেনি মনে করেন, মধ্যপ্রাচ্যে বিদেশি শক্তির হস্তক্ষেপই মূলত আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতাকে উসকে দিচ্ছে। তার এই বক্তব্য মূলত আঞ্চলিক দেশগুলোকে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভরতা কমানোর বার্তা দিতেই দেওয়া হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।