ঢাকা ১০:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

দেশ পরিচালনায় ‘আওয়ামী স্টাইল’ দেখা যাচ্ছে: সংসদে জামায়াত নেতার সমালোচনা

জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে বর্তমান প্রশাসনের তীব্র সমালোচনা করেছেন জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম খান। তিনি অভিযোগ করেন, বর্তমান সরকারের কর্মকাণ্ডে সব জায়গায় ‘আওয়ামী স্টাইলে’ দেশ পরিচালনার লক্ষণ ফুটে উঠছে, যা দেশের জন্য শুভ নয়।

রফিকুল ইসলাম খান তার বক্তব্যে বর্তমান রাষ্ট্রপতির কড়া সমালোচনা করে বলেন, রাষ্ট্রপতিকে ধন্যবাদ জানানোর কোনো সুযোগ নেই, কারণ তিনি বিগত সময়ের নানা বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের সহযোগী ছিলেন। তিনি প্রশ্ন তোলেন, বিতর্কিত ব্যক্তিদের কেন এখনো গুরুত্বপূর্ণ পদে রাখা হচ্ছে।

দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, সরকারি দলের সদস্যরা শুধু বিরোধী দলের সমালোচনাতেই ব্যস্ত। অথচ বাজারে তেলের দাম বাড়ছে, সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস উঠছে, সেদিকে তাদের কোনো নজর নেই। তিনি আরও বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান পর্যন্ত সবাই ঐক্যবদ্ধ থাকলেও নির্বাচনের পর হঠাৎ করেই জামায়াতকে নেতিবাচকভাবে উপস্থাপন করার চেষ্টা চলছে।

বক্তব্যে তিনি ২০১৩ সালের রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং শাপলা চত্বরের ঘটনার স্মৃতিচারণ করেন। তিনি দাবি করেন, তৎকালীন সরকারের পতনের আন্দোলন আরও আগেই সফল হতে পারত, কিন্তু কৌশলী অবস্থানের কারণে তা সম্ভব হয়নি। বর্তমান প্রেক্ষাপটে দেশের মানুষের অধিকার নিশ্চিত করতে এবং আইনশৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে সরকারকে আরও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রেমের সম্পর্কে ইতি টেনেছেন শর্বরী ও সানি!

দেশ পরিচালনায় ‘আওয়ামী স্টাইল’ দেখা যাচ্ছে: সংসদে জামায়াত নেতার সমালোচনা

আপডেট সময় : ১০:১৩:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬

জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে বর্তমান প্রশাসনের তীব্র সমালোচনা করেছেন জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম খান। তিনি অভিযোগ করেন, বর্তমান সরকারের কর্মকাণ্ডে সব জায়গায় ‘আওয়ামী স্টাইলে’ দেশ পরিচালনার লক্ষণ ফুটে উঠছে, যা দেশের জন্য শুভ নয়।

রফিকুল ইসলাম খান তার বক্তব্যে বর্তমান রাষ্ট্রপতির কড়া সমালোচনা করে বলেন, রাষ্ট্রপতিকে ধন্যবাদ জানানোর কোনো সুযোগ নেই, কারণ তিনি বিগত সময়ের নানা বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের সহযোগী ছিলেন। তিনি প্রশ্ন তোলেন, বিতর্কিত ব্যক্তিদের কেন এখনো গুরুত্বপূর্ণ পদে রাখা হচ্ছে।

দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, সরকারি দলের সদস্যরা শুধু বিরোধী দলের সমালোচনাতেই ব্যস্ত। অথচ বাজারে তেলের দাম বাড়ছে, সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস উঠছে, সেদিকে তাদের কোনো নজর নেই। তিনি আরও বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান পর্যন্ত সবাই ঐক্যবদ্ধ থাকলেও নির্বাচনের পর হঠাৎ করেই জামায়াতকে নেতিবাচকভাবে উপস্থাপন করার চেষ্টা চলছে।

বক্তব্যে তিনি ২০১৩ সালের রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং শাপলা চত্বরের ঘটনার স্মৃতিচারণ করেন। তিনি দাবি করেন, তৎকালীন সরকারের পতনের আন্দোলন আরও আগেই সফল হতে পারত, কিন্তু কৌশলী অবস্থানের কারণে তা সম্ভব হয়নি। বর্তমান প্রেক্ষাপটে দেশের মানুষের অধিকার নিশ্চিত করতে এবং আইনশৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে সরকারকে আরও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।