ঢাকা ০৫:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

গড় আয়ু বাড়লেও প্রবীণদের পুষ্টি সচেতনতায় পিছিয়ে বাংলাদেশ

বাংলাদেশে মানুষের গড় আয়ু বৃদ্ধি পেলেও প্রবীণদের স্বাস্থ্য ও পুষ্টির বিষয়ে পরিবার এবং সমাজের সচেতনতা আশানুরূপ বাড়েনি বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা জেলার সিভিল সার্জন ডা. মো. জিল্লুর রহমান। বুধবার ‘জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ ২০২৬’ উদযাপনের সমাপনী দিনে প্রবীণদের পুষ্টি ও দুর্যোগকালীন খাদ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ক এক আলোচনা সভায় তিনি এই উদ্বেগের কথা জানান।

সিভিল সার্জন জানান, বর্তমানে দেশের মানুষের গড় আয়ু প্রায় ৭৪ বছর এবং মোট জনসংখ্যার প্রায় ১০ শতাংশ প্রবীণ। ২০৪০ থেকে ২০৫০ সালের মধ্যে এই হার ২০ শতাংশ ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। প্রবীণদের সংখ্যা বাড়লেও তাদের খাদ্য ও পুষ্টির বিষয়ে অবহেলা দেখা যায়। অনেক ক্ষেত্রে সন্তানরা কর্মব্যস্ততা বা প্রবাসে থাকার কারণে প্রবীণরা পুষ্টিহীনতা ও একাকীত্বে ভোগেন, যা তাদের জীবনকে দুর্বিষহ করে তোলে।

এই সংকট উত্তরণে সন্তানদের সচেতন হওয়ার পাশাপাশি প্রবীণদের নিজেদের স্বাস্থ্যের প্রতি যত্নশীল হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পুষ্টির মানোন্নয়ন কেবল সরকারের কাজ নয়, বরং পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং গণমাধ্যমকে সম্মিলিতভাবে এগিয়ে আসতে হবে বলে সভায় উল্লেখ করা হয়। সুস্থ প্রজন্ম ও সুষম পুষ্টি নিশ্চিত করতে বছরজুড়ে এই সচেতনতা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান বিশেষজ্ঞরা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সংস্কারের নামে জনগণকে বিভ্রান্ত করার সুযোগ নেই: ১১ দলীয় ঐক্য

গড় আয়ু বাড়লেও প্রবীণদের পুষ্টি সচেতনতায় পিছিয়ে বাংলাদেশ

আপডেট সময় : ০৯:০২:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬

বাংলাদেশে মানুষের গড় আয়ু বৃদ্ধি পেলেও প্রবীণদের স্বাস্থ্য ও পুষ্টির বিষয়ে পরিবার এবং সমাজের সচেতনতা আশানুরূপ বাড়েনি বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা জেলার সিভিল সার্জন ডা. মো. জিল্লুর রহমান। বুধবার ‘জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ ২০২৬’ উদযাপনের সমাপনী দিনে প্রবীণদের পুষ্টি ও দুর্যোগকালীন খাদ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ক এক আলোচনা সভায় তিনি এই উদ্বেগের কথা জানান।

সিভিল সার্জন জানান, বর্তমানে দেশের মানুষের গড় আয়ু প্রায় ৭৪ বছর এবং মোট জনসংখ্যার প্রায় ১০ শতাংশ প্রবীণ। ২০৪০ থেকে ২০৫০ সালের মধ্যে এই হার ২০ শতাংশ ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। প্রবীণদের সংখ্যা বাড়লেও তাদের খাদ্য ও পুষ্টির বিষয়ে অবহেলা দেখা যায়। অনেক ক্ষেত্রে সন্তানরা কর্মব্যস্ততা বা প্রবাসে থাকার কারণে প্রবীণরা পুষ্টিহীনতা ও একাকীত্বে ভোগেন, যা তাদের জীবনকে দুর্বিষহ করে তোলে।

এই সংকট উত্তরণে সন্তানদের সচেতন হওয়ার পাশাপাশি প্রবীণদের নিজেদের স্বাস্থ্যের প্রতি যত্নশীল হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পুষ্টির মানোন্নয়ন কেবল সরকারের কাজ নয়, বরং পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং গণমাধ্যমকে সম্মিলিতভাবে এগিয়ে আসতে হবে বলে সভায় উল্লেখ করা হয়। সুস্থ প্রজন্ম ও সুষম পুষ্টি নিশ্চিত করতে বছরজুড়ে এই সচেতনতা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান বিশেষজ্ঞরা।