পিরোজপুরে একটি চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলায় ছেলেকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং মাকে ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন নেছারাবাদ উপজেলার সোহাগদল গ্রামের মো. সিদ্দিকুর রহমানের স্ত্রী মোসা. রেহানা বেগম এবং তাদের ছেলে মো. তাজিম। রায়ে তাজিমকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে অতিরিক্ত ৬ মাসের কারাদণ্ড এবং রেহানা বেগমকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে অতিরিক্ত ৩ মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুর ১টায় সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মো. মজিবুর রহমান এই রায় ঘোষণা করেন। আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০১৮ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি বিকেলে বয়ারহুলা মোটরসাইকেল স্ট্যান্ড থেকে তাজিম ও তার এক সহযোগী ভিকটিম মিলনকে তার মোটরসাইকেল ভাড়া করে। ওই রাতে মিলন বাড়ি না ফেরায় তার পরিবার বিভিন্ন স্থানে তাকে খুঁজতে থাকে। এ সময় তার মোবাইল ফোনও বন্ধ পাওয়া যায়। ঘটনার পরদিন ১২ ফেব্রুয়ারি মিলনের বাবা শাহাদত বাহাদুর নেছারাবাদ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। এর দুই দিন পর তাজিমদের বাড়ির সেফটিক ট্যাংকের ভেতর থেকে মিলনের লাশ উদ্ধার করা হয়। তদন্তে জানা যায়, মিলনকে হত্যার পর তাজিম তার মায়ের সহায়তায় লাশটি সেফটিক ট্যাংকে লুকিয়ে রেখেছিল।
এই ঘটনায় মিলনের বাবা শাহাদাত বাদী হয়ে নেছারাবাদ থানায় পাঁচজনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পুলিশ তদন্ত শেষে চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। সাক্ষ্যপ্রমাণ শেষে আদালত দুই আসামিকে দণ্ডাদেশ প্রদান করেন এবং অন্য দুজনকে খালাস দেন। মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন পাবলিক প্রসিকিউটর আবুল কালাম আকন এবং আসামি পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট আহসানুল কবির বাদল।
রিপোর্টারের নাম 























