২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লবের সময় সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের সাবেক খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম এবং ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেননের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি বিচারিক প্যানেল এই আদেশ জারি করেন।
বৃহস্পতিবার এই আদেশ প্রদানের পাশাপাশি মামলার সূচনা বক্তব্য উপস্থাপন এবং প্রথম সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ৯ জুন তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে, গত ১১ মার্চ আসামিপক্ষের আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী আসামিদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ থেকে অব্যাহতি চেয়ে শুনানি করেন। তিনি যুক্তি দেখান যে, প্রসিকিউশন আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের পক্ষে পর্যাপ্ত প্রমাণ উপস্থাপন করতে ব্যর্থ হয়েছে এবং তারা কোনো হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিলেন এমন কোনো প্রমাণও হাজির করা হয়নি।
প্রসিকিউশন চিফ আমিনুল ইসলাম অবশ্য আসামিদের বিরুদ্ধে যথাযথ প্রমাণের ভিত্তিতে অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে বলে জানান এবং বিচারের মাধ্যমে অপরাধ প্রমাণে সক্ষম হবেন বলে আশা প্রকাশ করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে এ বিষয়ে আদেশের জন্য ৩০ এপ্রিল তারিখ ধার্য করা হয়েছিল।
শুনানিতে চিফ প্রসিকিউটর অভিযোগ করেন যে, শেখ হাসিনার সরকারকে টিকিয়ে রাখার উদ্দেশ্যে কামরুল ও মেনন বিভিন্ন উসকানি দিয়েছিলেন। সরকারের শীর্ষ পদে থেকে তারা নিরস্ত্র ছাত্র-জনতার ওপর মারণাস্ত্র ব্যবহার এবং কারফিউ জারির প্ররোচনা দিয়েছিলেন। তাদের ধারাবাহিক ষড়যন্ত্রের ফলেই আন্দোলনকারীদের ওপর মারণাস্ত্র ব্যবহার করে গুলি চালানো হয়েছিল। জুলাইয়ের হত্যাকাণ্ডের মামলায় দুই আসামির বিরুদ্ধে সুপিরিয়র কমান্ড রেসপনসিবিলিটির দায় আনা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত বছরের ২২ আগস্ট রাশেদ খান মেননকে এবং ১৮ নভেম্বর কামরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।
রিপোর্টারের নাম 





















