ঢাকা ০৪:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

কণ্ঠস্বরের পরিবর্তন কি কোনো রোগের লক্ষণ? সুস্থ থাকতে জানুন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৪৬:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

মানুষের ব্যক্তিত্বের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ হলো তার কণ্ঠস্বর। তবে নানা কারণে অনেকের কণ্ঠস্বরে অস্বাভাবিকতা দেখা দেয়, যা কেবল শারীরিক সমস্যাই নয়, বরং মানসিক আত্মবিশ্বাসকেও কমিয়ে দিতে পারে। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় একে ‘ভয়েস ডিজঅর্ডার’ বা কণ্ঠের ব্যাধি বলা হয়। সাধারণত উচ্চস্বরে চিৎকার করা, দীর্ঘক্ষণ কথা বলা বা ভুল পদ্ধতিতে গলার ব্যবহার করার ফলে কণ্ঠনালির বা ভোকাল কর্ডের পেশিতে অতিরিক্ত চাপের কারণে এই সমস্যা তৈরি হয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কণ্ঠস্বর কর্কশ হয়ে যাওয়া, কথা বলার সময় ব্যথা অনুভব করা বা হঠাৎ গলা বসে যাওয়া হলো এই রোগের প্রাথমিক লক্ষণ। বাংলাদেশে প্রায় ৭ থেকে ১০ শতাংশ মানুষ জীবনের কোনো না কোনো সময়ে কণ্ঠের জটিলতায় ভোগেন। বিশেষ করে শিক্ষক, গায়ক, আইনজীবী ও বক্তাদের মধ্যে এই সমস্যা সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। গবেষণায় দেখা গেছে, পেশাগত কারণে কণ্ঠের সমস্যায় আক্রান্তদের মধ্যে প্রায় ৩০ থেকে ৪০ শতাংশই শিক্ষক।

কণ্ঠকে সুস্থ রাখতে সঠিক খাদ্যাভ্যাস এবং গলার পরিমিত ব্যবহার অত্যন্ত জরুরি। দীর্ঘদিনের কণ্ঠের সমস্যাকে অবহেলা করলে তা স্থায়ী রূপ নিতে পারে, যা পেশাগত ও সামাজিক জীবনে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়। প্রতিবছর ১৬ এপ্রিল কণ্ঠের গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে বিশ্ব কণ্ঠ দিবস পালন করা হয়। চিকিৎসকদের পরামর্শ হলো, কণ্ঠস্বরে কোনো অস্বাভাবিক পরিবর্তন দেখা দিলে দেরি না করে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রতারণার ফাঁদ: ২ বিলিয়ন ডলারের বেশি আর্থিক ক্ষতির মুখে ব্যবহারকারীরা

কণ্ঠস্বরের পরিবর্তন কি কোনো রোগের লক্ষণ? সুস্থ থাকতে জানুন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ

আপডেট সময় : ০২:৪৬:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

মানুষের ব্যক্তিত্বের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ হলো তার কণ্ঠস্বর। তবে নানা কারণে অনেকের কণ্ঠস্বরে অস্বাভাবিকতা দেখা দেয়, যা কেবল শারীরিক সমস্যাই নয়, বরং মানসিক আত্মবিশ্বাসকেও কমিয়ে দিতে পারে। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় একে ‘ভয়েস ডিজঅর্ডার’ বা কণ্ঠের ব্যাধি বলা হয়। সাধারণত উচ্চস্বরে চিৎকার করা, দীর্ঘক্ষণ কথা বলা বা ভুল পদ্ধতিতে গলার ব্যবহার করার ফলে কণ্ঠনালির বা ভোকাল কর্ডের পেশিতে অতিরিক্ত চাপের কারণে এই সমস্যা তৈরি হয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কণ্ঠস্বর কর্কশ হয়ে যাওয়া, কথা বলার সময় ব্যথা অনুভব করা বা হঠাৎ গলা বসে যাওয়া হলো এই রোগের প্রাথমিক লক্ষণ। বাংলাদেশে প্রায় ৭ থেকে ১০ শতাংশ মানুষ জীবনের কোনো না কোনো সময়ে কণ্ঠের জটিলতায় ভোগেন। বিশেষ করে শিক্ষক, গায়ক, আইনজীবী ও বক্তাদের মধ্যে এই সমস্যা সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। গবেষণায় দেখা গেছে, পেশাগত কারণে কণ্ঠের সমস্যায় আক্রান্তদের মধ্যে প্রায় ৩০ থেকে ৪০ শতাংশই শিক্ষক।

কণ্ঠকে সুস্থ রাখতে সঠিক খাদ্যাভ্যাস এবং গলার পরিমিত ব্যবহার অত্যন্ত জরুরি। দীর্ঘদিনের কণ্ঠের সমস্যাকে অবহেলা করলে তা স্থায়ী রূপ নিতে পারে, যা পেশাগত ও সামাজিক জীবনে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়। প্রতিবছর ১৬ এপ্রিল কণ্ঠের গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে বিশ্ব কণ্ঠ দিবস পালন করা হয়। চিকিৎসকদের পরামর্শ হলো, কণ্ঠস্বরে কোনো অস্বাভাবিক পরিবর্তন দেখা দিলে দেরি না করে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত।