ঢাকা ১০:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬

উপকূল সুরক্ষায় ৫ বছরে ২৫ কোটি গাছ লাগাবে সরকার: পানিসম্পদমন্ত্রী

প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে উপকূলীয় অঞ্চলকে রক্ষা করতে বিশাল কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার। পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি জানিয়েছেন, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে উপকূলজুড়ে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ করা হবে। বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই তথ্য জানান।

মন্ত্রী বলেন, ১৯৯১ সালের ২৯ এপ্রিলের ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় বাংলাদেশের জন্য এক বড় শিক্ষা। উপকূলীয় মানুষের জানমাল রক্ষায় টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ এবং পর্যাপ্ত সাইক্লোন সেন্টার স্থাপনের কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে। উপকূলীয় বনভূমি বা সবুজবেষ্টনী তৈরির মাধ্যমে জলোচ্ছ্বাস ও ঘূর্ণিঝড়ের তীব্রতা কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, বর্তমান সরকার নদী ও খাল খনন কর্মসূচিকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। আগামী পাঁচ বছরে প্রায় ২০ হাজার কিলোমিটার নদী, খাল ও জলাশয় পুনঃখনন করা হবে। এর ফলে কৃষি কাজে সেচ সুবিধা বৃদ্ধির পাশাপাশি জলাবদ্ধতা দূর হবে। উপকূলীয় মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করা সরকারের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার বলে তিনি মন্তব্য করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পূর্বাচল ডিএমপির অধীনে, নতুন উপশহরে আসছে সুবিশাল পুলিশি কাঠামো: আইজিপি

উপকূল সুরক্ষায় ৫ বছরে ২৫ কোটি গাছ লাগাবে সরকার: পানিসম্পদমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৫:২০:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬

প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে উপকূলীয় অঞ্চলকে রক্ষা করতে বিশাল কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার। পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি জানিয়েছেন, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে উপকূলজুড়ে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ করা হবে। বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই তথ্য জানান।

মন্ত্রী বলেন, ১৯৯১ সালের ২৯ এপ্রিলের ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় বাংলাদেশের জন্য এক বড় শিক্ষা। উপকূলীয় মানুষের জানমাল রক্ষায় টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ এবং পর্যাপ্ত সাইক্লোন সেন্টার স্থাপনের কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে। উপকূলীয় বনভূমি বা সবুজবেষ্টনী তৈরির মাধ্যমে জলোচ্ছ্বাস ও ঘূর্ণিঝড়ের তীব্রতা কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, বর্তমান সরকার নদী ও খাল খনন কর্মসূচিকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। আগামী পাঁচ বছরে প্রায় ২০ হাজার কিলোমিটার নদী, খাল ও জলাশয় পুনঃখনন করা হবে। এর ফলে কৃষি কাজে সেচ সুবিধা বৃদ্ধির পাশাপাশি জলাবদ্ধতা দূর হবে। উপকূলীয় মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করা সরকারের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার বলে তিনি মন্তব্য করেন।