ঢাকা ১০:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬

চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতায় সংসদে দুঃখ প্রকাশ করলেন প্রধানমন্ত্রী

চট্টগ্রাম মহানগরীর দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা নিরসনে চলমান প্রকল্পের ধীরগতির কারণে সৃষ্ট জনদুর্ভোগে গভীর দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে চট্টগ্রাম-১০ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমানের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এই দুঃখ প্রকাশ করেন। প্রধানমন্ত্রী জানান, সরকার এই সমস্যা সমাধানে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে এবং দ্রুত সংকট কাটিয়ে উঠতে কাজ চলছে।

সংসদে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে সাঈদ আল নোমান চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতার ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরে জানান, বর্তমানে নগরীর অনেক এলাকা পানিতে তলিয়ে আছে এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা স্থবির হয়ে পড়েছে। এর প্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, চট্টগ্রাম শহরের একটি বড় অংশ জলমগ্ন হওয়ার বিষয়টি তিনি অবগত আছেন। এটি একটি দীর্ঘমেয়াদী সমস্যা এবং পরিকল্পিতভাবে এর নিরসনে কাজ চলছে। তবে যত্রতত্র প্লাস্টিক ও পলিথিন বর্জ্য ফেলার কারণে ড্রেনেজ ব্যবস্থা বাধাগ্রস্ত হওয়াকে তিনি অন্যতম প্রধান অন্তরায় হিসেবে চিহ্নিত করেন।

প্রধানমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন যে, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশজুড়ে খাল খনন ও জলাধার তৈরির যে উদ্যোগ নিয়েছিলেন, বর্তমান সরকার সেই আদর্শ অনুসরণ করে আবারও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করছে। তিনি ঢাকা ও চট্টগ্রামের ড্রেনগুলো সচল রাখতে এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নাগরিকদের আরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান। জনসচেতনতা বৃদ্ধি পেলে এই সমস্যা অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পূর্বাচল ডিএমপির অধীনে, নতুন উপশহরে আসছে সুবিশাল পুলিশি কাঠামো: আইজিপি

চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতায় সংসদে দুঃখ প্রকাশ করলেন প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৩:০৪:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬

চট্টগ্রাম মহানগরীর দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা নিরসনে চলমান প্রকল্পের ধীরগতির কারণে সৃষ্ট জনদুর্ভোগে গভীর দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে চট্টগ্রাম-১০ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমানের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এই দুঃখ প্রকাশ করেন। প্রধানমন্ত্রী জানান, সরকার এই সমস্যা সমাধানে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে এবং দ্রুত সংকট কাটিয়ে উঠতে কাজ চলছে।

সংসদে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে সাঈদ আল নোমান চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতার ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরে জানান, বর্তমানে নগরীর অনেক এলাকা পানিতে তলিয়ে আছে এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা স্থবির হয়ে পড়েছে। এর প্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, চট্টগ্রাম শহরের একটি বড় অংশ জলমগ্ন হওয়ার বিষয়টি তিনি অবগত আছেন। এটি একটি দীর্ঘমেয়াদী সমস্যা এবং পরিকল্পিতভাবে এর নিরসনে কাজ চলছে। তবে যত্রতত্র প্লাস্টিক ও পলিথিন বর্জ্য ফেলার কারণে ড্রেনেজ ব্যবস্থা বাধাগ্রস্ত হওয়াকে তিনি অন্যতম প্রধান অন্তরায় হিসেবে চিহ্নিত করেন।

প্রধানমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন যে, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশজুড়ে খাল খনন ও জলাধার তৈরির যে উদ্যোগ নিয়েছিলেন, বর্তমান সরকার সেই আদর্শ অনুসরণ করে আবারও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করছে। তিনি ঢাকা ও চট্টগ্রামের ড্রেনগুলো সচল রাখতে এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নাগরিকদের আরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান। জনসচেতনতা বৃদ্ধি পেলে এই সমস্যা অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।