ঢাকা ১০:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬

ঢাকাকে ‘ক্লিন ও গ্রিন সিটি’ হিসেবে গড়ে তোলার ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

রাজধানী ঢাকাকে একটি পরিচ্ছন্ন ও সবুজ নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে দুই সিটি কর্পোরেশন সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণ করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার জাতীয় সংসদে এক সদস্যের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ তথ্য জানান। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগামী পাঁচ বছরে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন এলাকায় ৫ লাখ গাছ লাগানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে এবং ঢাকার বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকে ‘জিরো বর্জ্য’ মডেলে রূপান্তরের পরিকল্পনা চলছে।

রাজধানীর ওপর জনসংখ্যার অতিরিক্ত চাপ কমাতে দেশের প্রতিটি প্রান্তে পর্যায়ক্রমে আধুনিক নাগরিক সুযোগ-সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা চলছে বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। এছাড়া সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় ৩৭ হাজার ৮১৪টি পরিবারের নারী প্রধানদের আর্থিক সহায়তা প্রদানের কথা জানান তিনি।

নারী ও শিশুদের কল্যাণে সরকারের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, মা ও শিশু সহায়তা কর্মসূচি আরও সম্প্রসারিত করা হবে। এর আওতায় আর্থিক সুবিধার পাশাপাশি প্রসবপূর্ব ও প্রসব পরবর্তী সেবা, টিকাদান এবং প্রাতিষ্ঠানিক ডেলিভারির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করার কাজ চলছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পূর্বাচল ডিএমপির অধীনে, নতুন উপশহরে আসছে সুবিশাল পুলিশি কাঠামো: আইজিপি

ঢাকাকে ‘ক্লিন ও গ্রিন সিটি’ হিসেবে গড়ে তোলার ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

আপডেট সময় : ০১:৫৫:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬

রাজধানী ঢাকাকে একটি পরিচ্ছন্ন ও সবুজ নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে দুই সিটি কর্পোরেশন সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণ করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার জাতীয় সংসদে এক সদস্যের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ তথ্য জানান। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগামী পাঁচ বছরে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন এলাকায় ৫ লাখ গাছ লাগানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে এবং ঢাকার বর্জ্য ব্যবস্থাপনাকে ‘জিরো বর্জ্য’ মডেলে রূপান্তরের পরিকল্পনা চলছে।

রাজধানীর ওপর জনসংখ্যার অতিরিক্ত চাপ কমাতে দেশের প্রতিটি প্রান্তে পর্যায়ক্রমে আধুনিক নাগরিক সুযোগ-সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা চলছে বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। এছাড়া সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় ৩৭ হাজার ৮১৪টি পরিবারের নারী প্রধানদের আর্থিক সহায়তা প্রদানের কথা জানান তিনি।

নারী ও শিশুদের কল্যাণে সরকারের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, মা ও শিশু সহায়তা কর্মসূচি আরও সম্প্রসারিত করা হবে। এর আওতায় আর্থিক সুবিধার পাশাপাশি প্রসবপূর্ব ও প্রসব পরবর্তী সেবা, টিকাদান এবং প্রাতিষ্ঠানিক ডেলিভারির মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করার কাজ চলছে।