ঢাকা ০৯:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

‘যতদিন রয়েল বেঙ্গল টাইগার থাকবে, মুক্তিযোদ্ধা জিতবে’: সংসদে ফজলুর রহমানের হুঙ্কার

জাতীয় সংসদ অধিবেশনে এক আবেগঘন ও কড়া বক্তব্যে কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ফজলুর রহমান বলেছেন, বাংলাদেশ কেবল নরম-কোমল ঘাসের দেশ নয়, এ দেশ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, এ দেশের জঙ্গলে যতদিন রয়েল বেঙ্গল টাইগার থাকবে, ততদিন বীর মুক্তিযোদ্ধারাই বিজয়ী হবে; রাজাকারেরা কোনোদিন এ দেশে জয়লাভ করতে পারবে না।

মঙ্গলবার বিকেলে সংসদ অধিবেশনে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি আরও বলেন, আলবদর ও রাজাকারের বংশধরেরা সক্রিয় থাকলেও ফজলুর রহমানের মতো মুক্তিযোদ্ধারা এখনো বেঁচে আছেন। বিরোধী দলের সদস্যদের প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, যারা তাকে ‘ফজা পাগলা’ বলে ডাকেন, তারা আসলে সভ্যতার মুখোশ পরে আছেন। তিনি আরও দাবি করেন যে, কোনো মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্য বা শহীদ পরিবারের সন্তান জামায়াতে ইসলামীর মতো সংগঠনের রাজনীতি করতে পারেন না; এটি একটি ডাবল অপরাধ।

গত ৫ আগস্টের পরবর্তী পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে এই সংসদ সদস্য বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গন হুমকির মুখে পড়েছিল। শিল্পকলা একাডেমির সামনে গান, নাটক বা লালন গীতি পরিবেশনে বাধা দেওয়া হয়েছিল এবং একটি কালো শক্তি দেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ধ্বংস করার চেষ্টা করেছিল। তার এই বক্তব্য সংসদ অধিবেশনে বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বটবাহিনী দিয়ে রাজনীতি হয় না, মানুষের পাশে থেকে কাজ করতে হয়: শামা ওবায়েদ

‘যতদিন রয়েল বেঙ্গল টাইগার থাকবে, মুক্তিযোদ্ধা জিতবে’: সংসদে ফজলুর রহমানের হুঙ্কার

আপডেট সময় : ০৮:০৬:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

জাতীয় সংসদ অধিবেশনে এক আবেগঘন ও কড়া বক্তব্যে কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ফজলুর রহমান বলেছেন, বাংলাদেশ কেবল নরম-কোমল ঘাসের দেশ নয়, এ দেশ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, এ দেশের জঙ্গলে যতদিন রয়েল বেঙ্গল টাইগার থাকবে, ততদিন বীর মুক্তিযোদ্ধারাই বিজয়ী হবে; রাজাকারেরা কোনোদিন এ দেশে জয়লাভ করতে পারবে না।

মঙ্গলবার বিকেলে সংসদ অধিবেশনে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি আরও বলেন, আলবদর ও রাজাকারের বংশধরেরা সক্রিয় থাকলেও ফজলুর রহমানের মতো মুক্তিযোদ্ধারা এখনো বেঁচে আছেন। বিরোধী দলের সদস্যদের প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, যারা তাকে ‘ফজা পাগলা’ বলে ডাকেন, তারা আসলে সভ্যতার মুখোশ পরে আছেন। তিনি আরও দাবি করেন যে, কোনো মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্য বা শহীদ পরিবারের সন্তান জামায়াতে ইসলামীর মতো সংগঠনের রাজনীতি করতে পারেন না; এটি একটি ডাবল অপরাধ।

গত ৫ আগস্টের পরবর্তী পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে এই সংসদ সদস্য বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গন হুমকির মুখে পড়েছিল। শিল্পকলা একাডেমির সামনে গান, নাটক বা লালন গীতি পরিবেশনে বাধা দেওয়া হয়েছিল এবং একটি কালো শক্তি দেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ধ্বংস করার চেষ্টা করেছিল। তার এই বক্তব্য সংসদ অধিবেশনে বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে।