পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম বলেছেন, বিএনপি ফেসবুক বা সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে ‘বটবাহিনী’ ব্যবহার করে এবং স্ট্যাটাস দিয়ে মানুষকে ছোট করে ভাইরাল হয়ে রাজনীতি করার চেষ্টা করে। তিনি মনে করেন, এভাবে রাজনীতি হয় না; বরং মানুষের পাশে থেকে, রাস্তায় নেমে কাজ করতে হয়। তিনি প্রশ্ন তোলেন, ‘যদি ৭১ সালে ফেসবুক বা সোশ্যাল মিডিয়া থাকত, তাহলে দেশ স্বাধীন হতো কিনা, তা আমরা জানি না।’
মঙ্গলবার (তারিখ উল্লেখ করা হয়নি) জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন। তার বক্তব্যের জবাবে বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেন, তিনি (প্রতিমন্ত্রী) কোথায় দুর্নীতি করেছেন, তার প্রমাণ দিতে হবে।
শাহরিয়ার আলম আরও বলেন, যদি রাষ্ট্রপতি বা তাঁর ভাষণ অবৈধ হয়, তবে তৎকালীন সরকারও অবৈধ কিনা, তা ভেবে দেখতে হবে। তিনি উল্লেখ করেন, ‘আমরা যখন নতুন বাংলাদেশ ও নতুন প্রজন্মের কথা বলি, তখন শুধু ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে ভাইরাল হওয়ার রাজনীতি আশা করি না। দেশের জন্য কাজ করতে হলে সরকার ও বিরোধী দল উভয়কেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে।’
তিনি বলেন, বিরোধী দলও একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সরকারে থেকে কাজ করতে হলে যেমন অভিজ্ঞতা দরকার, তেমনি সাহস ও বুদ্ধিমত্তাও প্রয়োজন। তিনি জোর দিয়ে বলেন, মুক্তিযুদ্ধ সবকিছুর ঊর্ধ্বে। তিনি সংসদ সদস্য নাহিদ ও হাসনাতদের সেন্টিমেন্টের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে বলেন, তারাও চান তাদের সন্তানরা এমন এক নতুন বাংলাদেশে বসবাস করুক, যেখানে আইনের শাসন থাকবে, খুনের বিচার হবে এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, কাদা ছোড়াছুড়ি না করে ঐক্যবদ্ধ থাকলে এই সংসদ থেকেই গুণগত উন্নয়নের সূচনা হবে।
শাহরিয়ার আলমের বক্তব্যের পর ফ্লোর নিয়ে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেন, যেহেতু দুর্নীতির অভিযোগ আনা হয়েছে, তাই সরকারে থাকা উচিত তাদের এটি প্রমাণ করা। তিনি বলেন, ‘জাতীয় সংসদে যেহেতু এই অভিযোগ করা হয়েছে, তাই এর প্রমাণ দিতে হবে। নাহিদ ইসলামের নামে কী দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে, তিনি কোথায় দুর্নীতি করেছেন? সে প্রমাণ আমি তাদের কাছে চাইছি।’ এরপর স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তার বক্তব্যে কারও নাম উল্লেখ করেননি।
রিপোর্টারের নাম 























