ঢাকা ০৬:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

বোয়ালমারীতে বেওয়ারিশ কুকুরের আতঙ্ক: তিন মাসে আক্রান্ত ৭৪ জন

ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলায় বেওয়ারিশ কুকুরের উপদ্রব চরম আকার ধারণ করেছে। গত তিন মাসে কুকুরের কামড়ে আক্রান্ত হয়ে অন্তত ৭৪ জন মানুষ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা ও ভ্যাকসিন নিয়েছেন। সোমবার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নাজমুল হাসান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

হাসপাতালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, জানুয়ারি মাসে ১৭ জন, ফেব্রুয়ারিতে ৩১ জন এবং মার্চ মাসে ২৬ জন কুকুরের কামড়ে আহত হয়ে হাসপাতালে এসেছেন। তবে স্থানীয়দের মতে, প্রকৃত আক্রান্তের সংখ্যা আরও অনেক বেশি। কারণ অনেকে বিড়ালের কামড়ে আহত হলেও সেই তথ্য আলাদাভাবে সংরক্ষণ করা হয় না। অধিকাংশ হামলার ঘটনা ঘটছে রাস্তাঘাটে চলাচলের সময়, যেখানে হঠাৎ করেই পথচারীদের ওপর আক্রমণ করছে বেওয়ারিশ কুকুর।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, আগে পৌরসভা বা উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে কুকুর নিধন বা ভ্যাকসিন দেওয়ার কার্যক্রম থাকলেও বর্তমানে তা বন্ধ রয়েছে। ফলে কুকুরের সংখ্যা বাড়ার পাশাপাশি তাদের আচরণও হিংস্র হয়ে উঠছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বর্তমানে পর্যাপ্ত ভ্যাকসিনের মজুত থাকলেও জনসচেতনতা এবং কুকুরের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে ঝুঁকি কমানো সম্ভব নয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নেত্রকোণায় মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে এক জেলের মৃত্যু

বোয়ালমারীতে বেওয়ারিশ কুকুরের আতঙ্ক: তিন মাসে আক্রান্ত ৭৪ জন

আপডেট সময় : ০৪:৩৭:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলায় বেওয়ারিশ কুকুরের উপদ্রব চরম আকার ধারণ করেছে। গত তিন মাসে কুকুরের কামড়ে আক্রান্ত হয়ে অন্তত ৭৪ জন মানুষ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা ও ভ্যাকসিন নিয়েছেন। সোমবার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নাজমুল হাসান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

হাসপাতালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, জানুয়ারি মাসে ১৭ জন, ফেব্রুয়ারিতে ৩১ জন এবং মার্চ মাসে ২৬ জন কুকুরের কামড়ে আহত হয়ে হাসপাতালে এসেছেন। তবে স্থানীয়দের মতে, প্রকৃত আক্রান্তের সংখ্যা আরও অনেক বেশি। কারণ অনেকে বিড়ালের কামড়ে আহত হলেও সেই তথ্য আলাদাভাবে সংরক্ষণ করা হয় না। অধিকাংশ হামলার ঘটনা ঘটছে রাস্তাঘাটে চলাচলের সময়, যেখানে হঠাৎ করেই পথচারীদের ওপর আক্রমণ করছে বেওয়ারিশ কুকুর।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, আগে পৌরসভা বা উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে কুকুর নিধন বা ভ্যাকসিন দেওয়ার কার্যক্রম থাকলেও বর্তমানে তা বন্ধ রয়েছে। ফলে কুকুরের সংখ্যা বাড়ার পাশাপাশি তাদের আচরণও হিংস্র হয়ে উঠছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বর্তমানে পর্যাপ্ত ভ্যাকসিনের মজুত থাকলেও জনসচেতনতা এবং কুকুরের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে ঝুঁকি কমানো সম্ভব নয়।