প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সাড়ে ১৪ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কোনো রিভিউ বা পুনঃপর্যালোচনা করা হবে না বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। গতকাল রোববার একটি গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা জানান।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষক সংকট রয়েছে এবং এই নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করা জরুরি। তিনি নিশ্চিত করেন যে, নিয়োগ প্রক্রিয়াটি যেভাবে চলছে সেভাবেই এগিয়ে নেওয়া হবে এবং এতে কোনো পরিবর্তন আনা হবে না।
এর আগে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছিলেন যে, নিয়োগ প্রক্রিয়াটি রিভিউ করা হতে পারে। তবে গত সপ্তাহে সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এক সভায় এই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কিছু ভুল থাকতে পারে, তবে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে তাদের আস্থা রয়েছে এবং শ্রেণিকক্ষ ফাঁকা থাকায় দ্রুত নিয়োগ সম্পন্ন করা প্রয়োজন।
উল্লেখ্য, গত ৫ ও ১২ নভেম্বর প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগে প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। ২ জানুয়ারি লিখিত পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করা হলেও, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে তা পিছিয়ে ৯ জানুয়ারি নির্ধারণ করা হয়। দেশের ৬১ জেলায় (তিন পার্বত্য জেলা বাদে) এক হাজার ৪০৮টি পরীক্ষাকেন্দ্রে অনুষ্ঠিত এই পরীক্ষায় ১৪ হাজার ৩৮৫টি পদের বিপরীতে ১০ লাখ ৮০ হাজার ৯৫টি আবেদন জমা পড়ে এবং ৮ লাখ ৩০ হাজার ৮৮ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেন। ২১ জানুয়ারি রাতে লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়, যেখানে ৬৯ হাজার ২৬৫ জনকে প্রাথমিকভাবে উত্তীর্ণ ঘোষণা করা হয়।
রিপোর্টারের নাম 





















