ঢাকা ০৩:৩০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

ইসলামে ঋণ আদান-প্রদানের গুরুত্ব ও মানবিক মর্যাদা

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৪১:০১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
  • ১০ বার পড়া হয়েছে

মানবজীবন পারস্পরিক সহযোগিতা ও সহমর্মিতার ওপর প্রতিষ্ঠিত। সামাজিক জীবনে চলতে গেলে মানুষ নানা সময় আর্থিক সংকটের সম্মুখীন হতে পারে। এই সংকট নিরসনে অন্যের সাহায্য নেওয়া যেমন প্রয়োজন, তেমনি সামর্থ্যবানদের এগিয়ে আসা একটি মহৎ মানবিক দায়িত্ব। ইসলামে ঋণ দানকে কেবল একটি সামাজিক সহযোগিতা হিসেবে দেখা হয় না, বরং এটি একটি বিশেষ পুণ্যময় কাজ হিসেবে স্বীকৃত।

পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা বিপদগ্রস্ত মানুষকে সাহায্য করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন। সুরা বাকারায় আল্লাহ বলেন, ‘কে আছে এমন, যে আল্লাহকে উত্তম ঋণ দেবে, অতঃপর তিনি তাকে বহুগুণ বৃদ্ধি করে ফিরিয়ে দেবেন।’ এখানে আল্লাহর পথে ব্যয় বা আর্তমানবতার সেবাকে পরোক্ষভাবে আল্লাহর কাছে ঋণ দেওয়ার সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে, যা এই আমলের মাহাত্ম্য ও গুরুত্বকে স্পষ্ট করে তোলে।

হাদিস শরিফেও ঋণদানের অসামান্য ফজিলত বর্ণিত হয়েছে। রাসুলুল্লাহ (সা.) জানিয়েছেন, কোনো মুসলিম ভাইকে দুবার ঋণ দেওয়া একবার সদকা করার সমান সওয়াব বয়ে আনে। এছাড়া অভাবগ্রস্তকে ঋণ দিয়ে সহায়তা করলে বা ঋণ পরিশোধে ছাড় দিলে কিয়ামতের কঠিন দিনে আল্লাহর বিশেষ রহমতের ছায়া পাওয়ার সুসংবাদ দেওয়া হয়েছে। এতে সমাজে ভ্রাতৃত্ব ও সৌহার্দ্য বৃদ্ধি পায় এবং মানুষের মধ্যকার বৈষম্য দূর করতে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মৌচাকে বিএনপি নেতা বিল্লাল হত্যা: মূলহোতাসহ আরও ২ জন গ্রেপ্তার

ইসলামে ঋণ আদান-প্রদানের গুরুত্ব ও মানবিক মর্যাদা

আপডেট সময় : ১১:৪১:০১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

মানবজীবন পারস্পরিক সহযোগিতা ও সহমর্মিতার ওপর প্রতিষ্ঠিত। সামাজিক জীবনে চলতে গেলে মানুষ নানা সময় আর্থিক সংকটের সম্মুখীন হতে পারে। এই সংকট নিরসনে অন্যের সাহায্য নেওয়া যেমন প্রয়োজন, তেমনি সামর্থ্যবানদের এগিয়ে আসা একটি মহৎ মানবিক দায়িত্ব। ইসলামে ঋণ দানকে কেবল একটি সামাজিক সহযোগিতা হিসেবে দেখা হয় না, বরং এটি একটি বিশেষ পুণ্যময় কাজ হিসেবে স্বীকৃত।

পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা বিপদগ্রস্ত মানুষকে সাহায্য করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন। সুরা বাকারায় আল্লাহ বলেন, ‘কে আছে এমন, যে আল্লাহকে উত্তম ঋণ দেবে, অতঃপর তিনি তাকে বহুগুণ বৃদ্ধি করে ফিরিয়ে দেবেন।’ এখানে আল্লাহর পথে ব্যয় বা আর্তমানবতার সেবাকে পরোক্ষভাবে আল্লাহর কাছে ঋণ দেওয়ার সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে, যা এই আমলের মাহাত্ম্য ও গুরুত্বকে স্পষ্ট করে তোলে।

হাদিস শরিফেও ঋণদানের অসামান্য ফজিলত বর্ণিত হয়েছে। রাসুলুল্লাহ (সা.) জানিয়েছেন, কোনো মুসলিম ভাইকে দুবার ঋণ দেওয়া একবার সদকা করার সমান সওয়াব বয়ে আনে। এছাড়া অভাবগ্রস্তকে ঋণ দিয়ে সহায়তা করলে বা ঋণ পরিশোধে ছাড় দিলে কিয়ামতের কঠিন দিনে আল্লাহর বিশেষ রহমতের ছায়া পাওয়ার সুসংবাদ দেওয়া হয়েছে। এতে সমাজে ভ্রাতৃত্ব ও সৌহার্দ্য বৃদ্ধি পায় এবং মানুষের মধ্যকার বৈষম্য দূর করতে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।