ঢাকা ১২:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬

ঝালকাঠি-১ আসনের নির্বাচনী নথি সংরক্ষণের নির্দেশ হাইকোর্টের

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঝালকাঠি-১ (রাজাপুর-কাঠালিয়া) আসনে কারচুপির অভিযোগ এনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী হাইকোর্টে একটি আবেদন দাখিল করেছে। বুধবার বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চ উক্ত আবেদনের শুনানি শেষে ওই আসনের ব্যালট পেপার, ফলাফল শিটসহ সকল নির্বাচনী নথি হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচনে অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে এই আবেদন করা হয়েছিল। প্রাথমিক শুনানির পর আদালত সংশ্লিষ্ট নথিপত্র সংরক্ষণের নির্দেশ প্রদান করেন।

উল্লেখ্য, ঝালকাঠি-১ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী হিসেবে ড. ফয়জুল হক নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। এই আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের প্রার্থী রফিকুল ইসলাম জামাল সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন।

এ বিষয়ে ড. ফয়জুল হক বলেন, ‘নির্বাচনে ব্যাপক অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগ রয়েছে। আমরা ন্যায়বিচারের স্বার্থে আদালতে শরণাপন্ন হয়েছি। আদালতের এই নির্দেশ সত্য উদঘাটনে সহায়ক হবে বলে আমরা আশা করছি।’

আবেদনকারীর পক্ষে আদালতে শুনানি করেন সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী শিশির মোহাম্মদ মনির।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রেমের সম্পর্কে ইতি টেনেছেন শর্বরী ও সানি!

ঝালকাঠি-১ আসনের নির্বাচনী নথি সংরক্ষণের নির্দেশ হাইকোর্টের

আপডেট সময় : ০৬:২১:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঝালকাঠি-১ (রাজাপুর-কাঠালিয়া) আসনে কারচুপির অভিযোগ এনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী হাইকোর্টে একটি আবেদন দাখিল করেছে। বুধবার বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চ উক্ত আবেদনের শুনানি শেষে ওই আসনের ব্যালট পেপার, ফলাফল শিটসহ সকল নির্বাচনী নথি হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচনে অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে এই আবেদন করা হয়েছিল। প্রাথমিক শুনানির পর আদালত সংশ্লিষ্ট নথিপত্র সংরক্ষণের নির্দেশ প্রদান করেন।

উল্লেখ্য, ঝালকাঠি-১ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী হিসেবে ড. ফয়জুল হক নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। এই আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের প্রার্থী রফিকুল ইসলাম জামাল সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন।

এ বিষয়ে ড. ফয়জুল হক বলেন, ‘নির্বাচনে ব্যাপক অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগ রয়েছে। আমরা ন্যায়বিচারের স্বার্থে আদালতে শরণাপন্ন হয়েছি। আদালতের এই নির্দেশ সত্য উদঘাটনে সহায়ক হবে বলে আমরা আশা করছি।’

আবেদনকারীর পক্ষে আদালতে শুনানি করেন সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী শিশির মোহাম্মদ মনির।