ঢাকা ১২:৩৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

দুর্গম পাহাড়ে সক্ষমতা বাড়াতে আলীকদমে ‘আর্মি হিল অ্যান্ড জঙ্গল ওয়ারফেয়ার স্কুল’ উদ্বোধন

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আভিযানিক সক্ষমতা ও পেশাদারিত্ব বৃদ্ধির লক্ষ্যে বান্দরবানের আলীকদম সেনানিবাসে নবনির্মিত ‘আর্মি হিল অ্যান্ড জঙ্গল ওয়ারফেয়ার স্কুল’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। শনিবার সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান এই বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের উদ্বোধন করেন। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়েছে।

দেশের সমতল ভূমির পাশাপাশি দুর্গম পাহাড়ি ও জঙ্গলাকীর্ণ এলাকায় অত্যন্ত দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালনের জন্য সেনাসদস্যদের প্রস্তুত করতে এই প্রতিষ্ঠানটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এর মাধ্যমে সদস্যরা প্রতিকূল পরিবেশে টিকে থাকা, শারীরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং উন্নত কৌশলগত দক্ষতা অর্জনে বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে পারবেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সেনাপ্রধান নবনির্মিত এই স্কুলের অবকাঠামো পরিদর্শন করেন এবং প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের লক্ষ্য নিয়ে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। এই স্কুলটি পার্বত্য অঞ্চলে জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনীর সক্ষমতাকে আরও সুসংহত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজারে মা-মেয়ের গণধর্ষণ: উদ্বেগ প্রকাশ আসকের

দুর্গম পাহাড়ে সক্ষমতা বাড়াতে আলীকদমে ‘আর্মি হিল অ্যান্ড জঙ্গল ওয়ারফেয়ার স্কুল’ উদ্বোধন

আপডেট সময় : ০৪:৫০:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আভিযানিক সক্ষমতা ও পেশাদারিত্ব বৃদ্ধির লক্ষ্যে বান্দরবানের আলীকদম সেনানিবাসে নবনির্মিত ‘আর্মি হিল অ্যান্ড জঙ্গল ওয়ারফেয়ার স্কুল’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। শনিবার সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান এই বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের উদ্বোধন করেন। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়েছে।

দেশের সমতল ভূমির পাশাপাশি দুর্গম পাহাড়ি ও জঙ্গলাকীর্ণ এলাকায় অত্যন্ত দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালনের জন্য সেনাসদস্যদের প্রস্তুত করতে এই প্রতিষ্ঠানটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এর মাধ্যমে সদস্যরা প্রতিকূল পরিবেশে টিকে থাকা, শারীরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং উন্নত কৌশলগত দক্ষতা অর্জনে বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে পারবেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সেনাপ্রধান নবনির্মিত এই স্কুলের অবকাঠামো পরিদর্শন করেন এবং প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের লক্ষ্য নিয়ে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। এই স্কুলটি পার্বত্য অঞ্চলে জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনীর সক্ষমতাকে আরও সুসংহত করবে বলে আশা করা হচ্ছে।