ঢাকা ০১:০৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

কর্মীদের সৃজনশীলতাকে স্বীকৃতি: ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যতিক্রমী সাহিত্য সাময়িকী ‘কথামালা’

কর্মীদের মননশীলতা ও সৃজনশীলতার বিকাশে এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিয়েছে ব্র্যাক ব্যাংক। শনিবার প্রতিষ্ঠানটি তাদের সহকর্মীদের লেখা নিয়ে ‘কথামালা’ শীর্ষক একটি নিজস্ব সাহিত্য সাময়িকী প্রকাশ করেছে। ব্যাংকিং সেক্টরে এমন উদ্যোগ এই প্রথম, যা প্রমাণ করে ব্র্যাক ব্যাংক কর্মক্ষেত্রে গল্প বলা, ব্যতিক্রমী চিন্তা এবং শিল্প-সাহিত্যের চর্চাকে গুরুত্ব দেয়। ‘কথামালা’ একটি সাহিত্যিক প্ল্যাটফর্ম যেখানে ব্যাংকের কর্মীরা তাঁদের বহুমুখী প্রতিভার প্রকাশ ঘটাতে পারবেন।

এই সাহিত্য সাময়িকীর মাধ্যমে সহকর্মীরা ছোটগল্প, কবিতা, প্রবন্ধ, স্মৃতিকথা, ভ্রমণকাহিনি এবং অন্যান্য সাহিত্যিক ধারায় নিজেদের ভাবনা ও অনুভূতি প্রকাশ করার সুযোগ পাবেন। এই উদ্যোগ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে একটি প্রাণবন্ত ও সৌহার্দ্যপূর্ণ কর্মসংস্কৃতি গড়ে তুলতে সহায়ক হবে, যা কর্মীদের পেশাগত উৎকর্ষের পাশাপাশি সৃজনশীলতার বিকাশেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

এর আগে, ব্র্যাক ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ প্ল্যাটফর্ম রিডিং ক্যাফের উদ্যোগে অমর একুশে বইমেলায় সহকর্মীদের লেখা নিয়ে ‘প্রতিস্বর’ নামে একটি বই প্রকাশিত হয়েছিল, যা পাঠক মহলে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছিল। বাংলাদেশের কোনো ব্যাংকের রিডিং ক্লাব সদস্যদের লেখা এটিই প্রথম বই ছিল। সেই সাফল্যের ধারাবাহিকতায়, প্রতি চার মাস পর পর প্রকাশিতব্য এই সাহিত্য সাময়িকী প্রকাশের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ব্র্যাক ব্যাংকের এই ব্যতিক্রমী ও কর্মীবান্ধব উদ্যোগ সম্পর্কে ব্যাংকটির ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড সিইও তারেক রেফাত উল্লাহ খান বলেন, “‘কথামালা’ কেবল একটি সাহিত্য পত্রিকা নয়; এটি আমাদের সম্মিলিত বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চা ও চিন্তাভাবনার এক সুন্দর প্রতিফলন। এই উদ্যোগ আমাদের এই বিশ্বাসকে তুলে ধরে যে, একটি আদর্শ কর্মপরিবেশ কেবল ব্যবসায়িক সাফল্য দিয়ে নয়, বরং সাংস্কৃতিক ও সৃজনশীল বিকাশ দিয়েও সংজ্ঞায়িত হয়। আমরা এমন একটি কর্মপরিবেশ তৈরি করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ যেখানে আমাদের সহকর্মীরা পেশাগত ও ব্যক্তিগত উভয় ক্ষেত্রেই নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করতে পারেন।”

তিনি আরও যোগ করেন, “সহকর্মীদের সাহিত্যচর্চায় উদ্বুদ্ধ করা এবং তাঁদের সাহিত্যিক ভাবনা প্রকাশের সুযোগ তৈরি করার মাধ্যমে আমরা এমন একদল জনবল গড়ে তুলছি, যারা পেশাদার জীবনের পাশাপাশি মননশীল ও সৃজনশীল সমাজ গঠনেও অবদান রাখবেন। ব্র্যাক ব্যাংকে এমন সহকর্মী ও কর্মপরিবেশ পেয়ে আমি গর্বিত।”

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হরমুজ প্রণালি বন্ধের হুমকি দিয়ে ব্ল্যাকমেইল করা যাবে না: ডোনাল্ড ট্রাম্প

কর্মীদের সৃজনশীলতাকে স্বীকৃতি: ব্র্যাক ব্যাংকের ব্যতিক্রমী সাহিত্য সাময়িকী ‘কথামালা’

আপডেট সময় : ১০:১৯:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

কর্মীদের মননশীলতা ও সৃজনশীলতার বিকাশে এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিয়েছে ব্র্যাক ব্যাংক। শনিবার প্রতিষ্ঠানটি তাদের সহকর্মীদের লেখা নিয়ে ‘কথামালা’ শীর্ষক একটি নিজস্ব সাহিত্য সাময়িকী প্রকাশ করেছে। ব্যাংকিং সেক্টরে এমন উদ্যোগ এই প্রথম, যা প্রমাণ করে ব্র্যাক ব্যাংক কর্মক্ষেত্রে গল্প বলা, ব্যতিক্রমী চিন্তা এবং শিল্প-সাহিত্যের চর্চাকে গুরুত্ব দেয়। ‘কথামালা’ একটি সাহিত্যিক প্ল্যাটফর্ম যেখানে ব্যাংকের কর্মীরা তাঁদের বহুমুখী প্রতিভার প্রকাশ ঘটাতে পারবেন।

এই সাহিত্য সাময়িকীর মাধ্যমে সহকর্মীরা ছোটগল্প, কবিতা, প্রবন্ধ, স্মৃতিকথা, ভ্রমণকাহিনি এবং অন্যান্য সাহিত্যিক ধারায় নিজেদের ভাবনা ও অনুভূতি প্রকাশ করার সুযোগ পাবেন। এই উদ্যোগ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে একটি প্রাণবন্ত ও সৌহার্দ্যপূর্ণ কর্মসংস্কৃতি গড়ে তুলতে সহায়ক হবে, যা কর্মীদের পেশাগত উৎকর্ষের পাশাপাশি সৃজনশীলতার বিকাশেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

এর আগে, ব্র্যাক ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ প্ল্যাটফর্ম রিডিং ক্যাফের উদ্যোগে অমর একুশে বইমেলায় সহকর্মীদের লেখা নিয়ে ‘প্রতিস্বর’ নামে একটি বই প্রকাশিত হয়েছিল, যা পাঠক মহলে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছিল। বাংলাদেশের কোনো ব্যাংকের রিডিং ক্লাব সদস্যদের লেখা এটিই প্রথম বই ছিল। সেই সাফল্যের ধারাবাহিকতায়, প্রতি চার মাস পর পর প্রকাশিতব্য এই সাহিত্য সাময়িকী প্রকাশের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ব্র্যাক ব্যাংকের এই ব্যতিক্রমী ও কর্মীবান্ধব উদ্যোগ সম্পর্কে ব্যাংকটির ম্যানেজিং ডিরেক্টর অ্যান্ড সিইও তারেক রেফাত উল্লাহ খান বলেন, “‘কথামালা’ কেবল একটি সাহিত্য পত্রিকা নয়; এটি আমাদের সম্মিলিত বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চা ও চিন্তাভাবনার এক সুন্দর প্রতিফলন। এই উদ্যোগ আমাদের এই বিশ্বাসকে তুলে ধরে যে, একটি আদর্শ কর্মপরিবেশ কেবল ব্যবসায়িক সাফল্য দিয়ে নয়, বরং সাংস্কৃতিক ও সৃজনশীল বিকাশ দিয়েও সংজ্ঞায়িত হয়। আমরা এমন একটি কর্মপরিবেশ তৈরি করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ যেখানে আমাদের সহকর্মীরা পেশাগত ও ব্যক্তিগত উভয় ক্ষেত্রেই নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করতে পারেন।”

তিনি আরও যোগ করেন, “সহকর্মীদের সাহিত্যচর্চায় উদ্বুদ্ধ করা এবং তাঁদের সাহিত্যিক ভাবনা প্রকাশের সুযোগ তৈরি করার মাধ্যমে আমরা এমন একদল জনবল গড়ে তুলছি, যারা পেশাদার জীবনের পাশাপাশি মননশীল ও সৃজনশীল সমাজ গঠনেও অবদান রাখবেন। ব্র্যাক ব্যাংকে এমন সহকর্মী ও কর্মপরিবেশ পেয়ে আমি গর্বিত।”