ঢাকা ১১:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

নীলফামারীতে বিপুল পরিমাণ জ্বালানি তেল জব্দ, ৭ জন আটক

নীলফামারীর সৈয়দপুরে অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে মজুত করে রাখা ৪ হাজার ৫০৫ লিটার জ্বালানি তেল উদ্ধার করেছে উপজেলা প্রশাসন। এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে সাতজনকে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে দণ্ড দেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার দিবাগত রাতে শহরের বাইপাস সড়কের ধলাগাছ মোড় সংলগ্ন একটি অস্থায়ী গোডাউনে এই অভিযান পরিচালিত হয়। জব্দ করা তেলের মধ্যে রয়েছে ৩ হাজার ৯১৭ লিটার পেট্রল, ৩৩৮ লিটার ডিজেল এবং ২৫০ লিটার অকটেন। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ড্রামে ভরে তেলগুলো গোপনে অন্যত্র সরানোর প্রস্তুতি চলছিল।

অভিযান শেষে ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ও সৈয়দপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাব্বির হোসেন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ অনুযায়ী প্রধান অভিযুক্ত ফিলিং স্টেশনের মালিক রফিকুল ইসলামকে ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে ৬ মাসের কারাদণ্ড দেন। অন্য ছয়জনকে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে ৩ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

পরে জব্দ করা তেল সরকারি নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করে প্রায় ৪ লাখ ৯৩ হাজার টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে। ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশসহ যৌথভাবে এই অভিযান চালানো হয়। দীর্ঘদিন ধরে একটি সংঘবদ্ধ চক্র বিভিন্ন যানবাহন ব্যবহার করে গোপনে তেল মজুত করে বেশি দামে বিক্রি করছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাব্বির হোসেন জানান, জ্বালানি তেল মজুত করে বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাড়ল ডিজেল-অকটেন-পেট্রোলের দাম

নীলফামারীতে বিপুল পরিমাণ জ্বালানি তেল জব্দ, ৭ জন আটক

আপডেট সময় : ০৯:১৫:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

নীলফামারীর সৈয়দপুরে অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে মজুত করে রাখা ৪ হাজার ৫০৫ লিটার জ্বালানি তেল উদ্ধার করেছে উপজেলা প্রশাসন। এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে সাতজনকে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে দণ্ড দেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার দিবাগত রাতে শহরের বাইপাস সড়কের ধলাগাছ মোড় সংলগ্ন একটি অস্থায়ী গোডাউনে এই অভিযান পরিচালিত হয়। জব্দ করা তেলের মধ্যে রয়েছে ৩ হাজার ৯১৭ লিটার পেট্রল, ৩৩৮ লিটার ডিজেল এবং ২৫০ লিটার অকটেন। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ড্রামে ভরে তেলগুলো গোপনে অন্যত্র সরানোর প্রস্তুতি চলছিল।

অভিযান শেষে ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ও সৈয়দপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাব্বির হোসেন ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ অনুযায়ী প্রধান অভিযুক্ত ফিলিং স্টেশনের মালিক রফিকুল ইসলামকে ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে ৬ মাসের কারাদণ্ড দেন। অন্য ছয়জনকে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে ৩ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

পরে জব্দ করা তেল সরকারি নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করে প্রায় ৪ লাখ ৯৩ হাজার টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে। ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশসহ যৌথভাবে এই অভিযান চালানো হয়। দীর্ঘদিন ধরে একটি সংঘবদ্ধ চক্র বিভিন্ন যানবাহন ব্যবহার করে গোপনে তেল মজুত করে বেশি দামে বিক্রি করছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাব্বির হোসেন জানান, জ্বালানি তেল মজুত করে বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।