ঢাকা ১১:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

বদরগঞ্জে ভ্রাম্যমাণ আদালতকে সহায়তা করায় মুয়াজ্জিন ও জামায়াত নেতাসহ ৩ জনকে বিএনপি নেতার মারধর

রংপুরের বদরগঞ্জে ভ্রাম্যমাণ আদালতকে সহায়তা করার অভিযোগে মসজিদের মুয়াজ্জিন ও স্থানীয় জামায়াত নেতাসহ তিনজনকে বেধড়ক মারধর করেছেন এক বিএনপি নেতা। শনিবার দুপুর আড়াইটার দিকে বদরগঞ্জ উপজেলার নাগেরহাট এলাকায় যমুনাশ্বরী নদীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের সময় ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় ড্রেজার মেশিনসহ সরঞ্জাম জব্দ করে অকেজো করে দেওয়া হয়।

অভিযান চলাকালে ভ্রাম্যমাণ আদালত উপস্থিত লোকজনের সহযোগিতা চায়। কুতুব উদ্দিন পীর মাজার মসজিদের মুয়াজ্জিন নুর আমিন এবং জামায়াত নেতা তারাজুল ইসলাম আদালতকে সহায়তা করেন। এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে বিএনপি নেতা ওহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে ফোকলা জামান, ইলিয়াস আলীসহ তাদের লোকজন কুতুবিয়া দাখিল মাদ্রাসার সামনে মুয়াজ্জিন নুর আমিনকে মারধর করে। নুর আমিন মসজিদে আশ্রয় নিলেও তাকে টেনে বের করে পেটানো হয়। আহত মুয়াজ্জিনকে হাসপাতালে নেওয়ার পথে বাসস্ট্যান্ড এলাকায় জামায়াত নেতা তারাজুল ইসলাম ও ইমাম রওশন আলীকেও লাঠিপেটা করা হয়।

ইউনিয়ন বিএনপি’র সহ-সভাপতি ওহিদুল ইসলাম চাঁদাবাজি, জমি দখল এবং নদী থেকে বালু চুরির মতো কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত বলে এলাকাবাসী অভিযোগ করেছেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গত ৫ আগস্টের পর থেকে এই বিএনপি নেতা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন। বদরগঞ্জ উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি অধ্যাপক পরিতোষ চক্রবর্তী জানিয়েছেন, স্থানীয়ভাবে লিখিত অভিযোগ পেলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে ওহিদুল ইসলামের মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাড়ল ডিজেল-অকটেন-পেট্রোলের দাম

বদরগঞ্জে ভ্রাম্যমাণ আদালতকে সহায়তা করায় মুয়াজ্জিন ও জামায়াত নেতাসহ ৩ জনকে বিএনপি নেতার মারধর

আপডেট সময় : ০৯:১৩:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

রংপুরের বদরগঞ্জে ভ্রাম্যমাণ আদালতকে সহায়তা করার অভিযোগে মসজিদের মুয়াজ্জিন ও স্থানীয় জামায়াত নেতাসহ তিনজনকে বেধড়ক মারধর করেছেন এক বিএনপি নেতা। শনিবার দুপুর আড়াইটার দিকে বদরগঞ্জ উপজেলার নাগেরহাট এলাকায় যমুনাশ্বরী নদীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের সময় ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় ড্রেজার মেশিনসহ সরঞ্জাম জব্দ করে অকেজো করে দেওয়া হয়।

অভিযান চলাকালে ভ্রাম্যমাণ আদালত উপস্থিত লোকজনের সহযোগিতা চায়। কুতুব উদ্দিন পীর মাজার মসজিদের মুয়াজ্জিন নুর আমিন এবং জামায়াত নেতা তারাজুল ইসলাম আদালতকে সহায়তা করেন। এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে বিএনপি নেতা ওহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে ফোকলা জামান, ইলিয়াস আলীসহ তাদের লোকজন কুতুবিয়া দাখিল মাদ্রাসার সামনে মুয়াজ্জিন নুর আমিনকে মারধর করে। নুর আমিন মসজিদে আশ্রয় নিলেও তাকে টেনে বের করে পেটানো হয়। আহত মুয়াজ্জিনকে হাসপাতালে নেওয়ার পথে বাসস্ট্যান্ড এলাকায় জামায়াত নেতা তারাজুল ইসলাম ও ইমাম রওশন আলীকেও লাঠিপেটা করা হয়।

ইউনিয়ন বিএনপি’র সহ-সভাপতি ওহিদুল ইসলাম চাঁদাবাজি, জমি দখল এবং নদী থেকে বালু চুরির মতো কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত বলে এলাকাবাসী অভিযোগ করেছেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গত ৫ আগস্টের পর থেকে এই বিএনপি নেতা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন। বদরগঞ্জ উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি অধ্যাপক পরিতোষ চক্রবর্তী জানিয়েছেন, স্থানীয়ভাবে লিখিত অভিযোগ পেলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে ওহিদুল ইসলামের মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় তার সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।