বগুড়ার ধুনট উপজেলায় পূর্ববিরোধের জের ধরে এক যুবতীকে (১৯) গাছের সঙ্গে বেঁধে রেখে তার নিম্নাঙ্গে লাঠি ও হাত দিয়ে খোঁচানোর অভিযোগ উঠেছে চাঁন মিয়া (৪০) নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এই ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার মথুরাপুর ইউনিয়নের খাদুলী বিলপাড়া গ্রামে। অভিযুক্ত চাঁন মিয়া ওই গ্রামের ইয়াকুব আলীর ছেলে এবং তিনি পেশায় কাঠমিস্ত্রি।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) দুপুরে ধুনট থানার এসআই ওসমান গনি সরেজমিনে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তিনি বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার সত্যতার প্রমাণ পাওয়া গেছে এবং এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, হতদরিদ্র ভুক্তভোগী ওই যুবতীর বাবা অনেক দিন আগে মারা গেছেন এবং তার মা অন্যত্র বিয়ে করেছেন। বর্তমানে যুবতীটি অন্যের বাড়িতে আশ্রিতা হিসেবে বসবাস করছেন।
কয়েক দিন আগে ভুক্তভোগী যুবতীর সঙ্গে চাঁন মিয়ার বিরোধ সৃষ্টি হয়। এই ঘটনার জের ধরে গত ১৩ এপ্রিল সকাল ১০টার দিকে চাঁন মিয়া ও তার লোকজন ওই যুবতীকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে প্রতিবেশীর বাড়ির ভেতর একটি আমগাছের সঙ্গে রশি দিয়ে হাত-পা বেঁধে ফেলে। এরপর তাকে উলঙ্গ করে নিম্নাঙ্গে বাঁশের লাঠি ও হাত দিয়ে খোঁচানোর ফলে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে যুবতীটি অচেতন হয়ে পড়ে। এসময় তারা যুবতীকে গাছের সঙ্গে বেঁধে রেখেই ঘটনাস্থল থেকে সটকে পড়ে। স্থানীয়রা আহত যুবতীকে উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিয়ে ১৬ এপ্রিল বাড়ি ফিরে যুবতীটি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে চাঁন মিয়াসহ চারজনকে আসামি করা হয়েছে। থানায় অভিযোগ দায়েরের পর থেকে চাঁন মিয়া ও তার লোকজন পলাতক থাকায় তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ধুনট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, অভিযোগ পাওয়ার পর থেকেই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে এবং ভিকটিমের শারীরিক অবস্থা বর্তমানে ভালো আছে।
রিপোর্টারের নাম 





















