চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) চেয়ারম্যান এবং জেলা পরিষদের প্রশাসক পদ দুটিকে ঘিরে বিএনপির মধ্যে চলছে জোর তদবির। দলের অন্তত এক ডজন নেতা এই পদগুলো পেতে আগ্রহী, যার মধ্যে সিডিএ চেয়ারম্যান পদের জন্য আটজন এবং জেলা পরিষদ প্রশাসক পদের জন্য চারজন নেতা বিশেষভাবে আলোচনায় রয়েছেন। গত এক মাস ধরে তারা বিএনপির হাইকমান্ডের কাছে ধরনা দিচ্ছেন এবং নিজেদের যোগ্যতা তুলে ধরে পদ পেতে চেষ্টা করছেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রামে বিএনপির অভাবনীয় বিজয়ের পর বিভিন্ন প্রশাসনিক পদে বিএনপি নেতাদের পদায়নের গুঞ্জন জোরদার হয়েছে। যদিও জেলা পরিষদের প্রশাসকের পদটি ৫ আগস্ট থেকে শূন্য রয়েছে, সিডিএ চেয়ারম্যান হিসেবে প্রকৌশলী নুরুল করিম দায়িত্ব পালন করছেন। তবে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে নিয়োগ পাওয়ায় এই পদেও পরিবর্তনের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। জেলা পরিষদ প্রশাসকের চেয়ে সিডিএ চেয়ারম্যানের পদটি অধিক লোভনীয় হওয়ায় এখানে প্রতিদ্বন্দ্বীও বেশি।
সূত্রমতে, বিগত সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপ্রত্যাশী বা দলের সিদ্ধান্তে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানো নেতারাও এই পদগুলোর জন্য চেষ্টা করছেন। তারা অতীত মামলা-হামলা ও জেল-জুলুমের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে নিজেদের রাজনৈতিক বায়োডাটা নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে পেশ করছেন। বর্তমানে ঢাকা ও চট্টগ্রামে নেতাদের বাসভবন ও কার্যালয়ে তাদের ব্যস্ত সময় কাটছে। কে হচ্ছেন পরবর্তী সিডিএ চেয়ারম্যান, তা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা চলছে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও নেতাদের ছবিসহ পোস্ট দেখা যাচ্ছে। তবে সংশ্লিষ্ট নেতারা বলছেন, সরকারের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত এবং মনোনীত ব্যক্তিকে তারা চট্টগ্রামের উন্নয়নে সহযোগিতা করবেন।
রিপোর্টারের নাম 

























