ঢাকা ১০:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬

টেকনাফ স্থলবন্দর পরিদর্শন করলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী, বাণিজ্যের দুয়ার খোলার সম্ভাবনা

কক্সবাজারের টেকনাফ স্থলবন্দর দিয়ে গত এক বছর ধরে সীমান্ত বাণিজ্য বন্ধ থাকায় স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্ট মহলে হতাশা বিরাজ করছে। এই অচলাবস্থার কারণে সরকারও বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকালে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ টেকনাফ স্থলবন্দর পরিদর্শন করেছেন।

পরিদর্শনকালে মন্ত্রী বন্দর এলাকার সার্বিক পরিস্থিতি সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন এবং সেখানে কর্মরত কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করেন। জানা গেছে, মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা ও সীমান্ত পরিস্থিতির অবনতির কারণে টেকনাফ স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। এর ফলে একদিকে যেমন সরকারের রাজস্ব আয় কমে গেছে, তেমনি স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্যেও স্থবিরতা নেমে এসেছে। বাংলাদেশ-মিয়ানমারের মধ্যে এই স্থলবন্দরটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত, যা দুই দেশের মধ্যে বিভিন্ন পণ্য আমদানি-রপ্তানির মাধ্যমে সরকারের কোষাগারে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখে। মন্ত্রীর এই পরিদর্শন বাণিজ্য কার্যক্রম পুনরায় চালুর ব্যাপারে আশার আলো দেখাচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লেবাননে হিজবুল্লাহর ড্রোন হামলায় ১১ ইসরাইলি সেনা আহত, আশঙ্কাজনক ৩

টেকনাফ স্থলবন্দর পরিদর্শন করলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী, বাণিজ্যের দুয়ার খোলার সম্ভাবনা

আপডেট সময় : ০৭:০৫:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬

কক্সবাজারের টেকনাফ স্থলবন্দর দিয়ে গত এক বছর ধরে সীমান্ত বাণিজ্য বন্ধ থাকায় স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্ট মহলে হতাশা বিরাজ করছে। এই অচলাবস্থার কারণে সরকারও বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকালে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ টেকনাফ স্থলবন্দর পরিদর্শন করেছেন।

পরিদর্শনকালে মন্ত্রী বন্দর এলাকার সার্বিক পরিস্থিতি সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন এবং সেখানে কর্মরত কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করেন। জানা গেছে, মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা ও সীমান্ত পরিস্থিতির অবনতির কারণে টেকনাফ স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। এর ফলে একদিকে যেমন সরকারের রাজস্ব আয় কমে গেছে, তেমনি স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্যেও স্থবিরতা নেমে এসেছে। বাংলাদেশ-মিয়ানমারের মধ্যে এই স্থলবন্দরটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত, যা দুই দেশের মধ্যে বিভিন্ন পণ্য আমদানি-রপ্তানির মাধ্যমে সরকারের কোষাগারে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখে। মন্ত্রীর এই পরিদর্শন বাণিজ্য কার্যক্রম পুনরায় চালুর ব্যাপারে আশার আলো দেখাচ্ছে।