ঢাকা ০১:১৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

পহেলা বৈশাখ অসাম্প্রদায়িক চেতনার মিলনমেলা, এখানে বিভেদের স্থান নেই: তথ্যমন্ত্রী

পহেলা বৈশাখের উৎসবে কোনো ধরনের ধর্ম, বর্ণ বা বিভেদের স্থান নেই বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। মঙ্গলবার রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমিতে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, পহেলা বৈশাখ কেবল আনন্দ বা উৎসবের বিষয় নয়, এটি বাঙালির অসাম্প্রদায়িক চেতনার এক অনন্য মিলনমেলা। এই উৎসবের মূল সুরই হলো সম্প্রীতি, যেখানে কোনো ভেদাভেদ থাকবে না।

নতুন বঙ্গাব্দকে সম্ভাবনাময় উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ১৪৩৩ সালজুড়ে বর্তমান সরকার বাংলাদেশের কৃষি-নির্ভর অর্থনীতির আমূল পরিবর্তনে নিরলসভাবে কাজ করে যাবে। তিনি ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বলেন, হিজরি ও গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারের সমন্বয়ে বাংলা নববর্ষের যে কাঠামো তৈরি হয়েছিল, তার মূল লক্ষ্য ছিল বাংলার কৃষি ও কৃষকের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি নিশ্চিত করা। সেই ঐতিহ্যকে ধারণ করেই সরকার এগোচ্ছে।

সরকারের কৃষকবান্ধব নীতির প্রতিফলন হিসেবে মন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রী এবার টাঙ্গাইলে সরাসরি কৃষকদের সঙ্গে নববর্ষ উদযাপন করছেন এবং সেখানে তিনি ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ করেছেন। শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক শেখ রেজাউদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান এবং সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সচিব কানিজ মওলা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজধানীতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে দেশীয় সাংস্কৃতিক সংসদের বর্ষবরণ উৎসব

পহেলা বৈশাখ অসাম্প্রদায়িক চেতনার মিলনমেলা, এখানে বিভেদের স্থান নেই: তথ্যমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৯:২৭:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬

পহেলা বৈশাখের উৎসবে কোনো ধরনের ধর্ম, বর্ণ বা বিভেদের স্থান নেই বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। মঙ্গলবার রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমিতে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, পহেলা বৈশাখ কেবল আনন্দ বা উৎসবের বিষয় নয়, এটি বাঙালির অসাম্প্রদায়িক চেতনার এক অনন্য মিলনমেলা। এই উৎসবের মূল সুরই হলো সম্প্রীতি, যেখানে কোনো ভেদাভেদ থাকবে না।

নতুন বঙ্গাব্দকে সম্ভাবনাময় উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ১৪৩৩ সালজুড়ে বর্তমান সরকার বাংলাদেশের কৃষি-নির্ভর অর্থনীতির আমূল পরিবর্তনে নিরলসভাবে কাজ করে যাবে। তিনি ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বলেন, হিজরি ও গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারের সমন্বয়ে বাংলা নববর্ষের যে কাঠামো তৈরি হয়েছিল, তার মূল লক্ষ্য ছিল বাংলার কৃষি ও কৃষকের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি নিশ্চিত করা। সেই ঐতিহ্যকে ধারণ করেই সরকার এগোচ্ছে।

সরকারের কৃষকবান্ধব নীতির প্রতিফলন হিসেবে মন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রী এবার টাঙ্গাইলে সরাসরি কৃষকদের সঙ্গে নববর্ষ উদযাপন করছেন এবং সেখানে তিনি ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ করেছেন। শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক শেখ রেজাউদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান এবং সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সচিব কানিজ মওলা।