ঢাকা ০৭:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

আশিয়ান গ্রুপে বর্ণাঢ্য বৈশাখী মেলা: প্লট বিক্রিতে বিশেষ ছাড়

পহেলা বৈশাখের আনন্দঘন পরিবেশে আশিয়ান গ্রুপের প্রধান কার্যালয়ে এক বর্ণাঢ্য বৈশাখী মেলার উদ্বোধন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকালে গ্রুপের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো. নজরুল ইসলাম ভূঁইয়ার পক্ষ থেকে তাঁর মেয়ে অনামিকা ইসলাম ভূঁইয়া এবং ছেলে আরফিন ইসলাম ভূঁইয়া মেলার উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে আশিয়ান গ্রুপের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. সাইফুল ইসলাম ভূঁইয়া, পরিচালক মো. জাহিদুল ইসলাম ভূঁইয়াসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও পরিচালকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

মেলা উপলক্ষে আশিয়ান সিটি প্রকল্পে প্লট বিক্রির ওপর বিশেষ ছাড় ও উপহারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। যারা এককালীন মূল্য পরিশোধ করবেন, তারা রেজিস্ট্রেশনসহ ৩০% ছাড় পাবেন। এছাড়াও, কিস্তিতে প্লট ক্রয়ের ক্ষেত্রে ২০% মূল্য ছাড় দেওয়া হচ্ছে।

উৎসবের প্রথম দিন থেকেই গ্রাহকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া লক্ষ্য করা গেছে। মেলায় আগত অতিথিদের আপ্যায়নের জন্য ছিল নানা ধরনের ঐতিহ্যবাহী বৈশাখী খাবার, যেমন – মিষ্টি, বাতাসা, সন্দেশ, কদমা, নকুলদানা, খৈ, মুড়ি, মোয়া এবং পিঠা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ক্রেডিট কার্ড গ্রাহকদের বিমা সুবিধা দিতে ন্যাশনাল ব্যাংক ও ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্সের চুক্তি

আশিয়ান গ্রুপে বর্ণাঢ্য বৈশাখী মেলা: প্লট বিক্রিতে বিশেষ ছাড়

আপডেট সময় : ০৮:১৫:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬

পহেলা বৈশাখের আনন্দঘন পরিবেশে আশিয়ান গ্রুপের প্রধান কার্যালয়ে এক বর্ণাঢ্য বৈশাখী মেলার উদ্বোধন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকালে গ্রুপের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো. নজরুল ইসলাম ভূঁইয়ার পক্ষ থেকে তাঁর মেয়ে অনামিকা ইসলাম ভূঁইয়া এবং ছেলে আরফিন ইসলাম ভূঁইয়া মেলার উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে আশিয়ান গ্রুপের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. সাইফুল ইসলাম ভূঁইয়া, পরিচালক মো. জাহিদুল ইসলাম ভূঁইয়াসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও পরিচালকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

মেলা উপলক্ষে আশিয়ান সিটি প্রকল্পে প্লট বিক্রির ওপর বিশেষ ছাড় ও উপহারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। যারা এককালীন মূল্য পরিশোধ করবেন, তারা রেজিস্ট্রেশনসহ ৩০% ছাড় পাবেন। এছাড়াও, কিস্তিতে প্লট ক্রয়ের ক্ষেত্রে ২০% মূল্য ছাড় দেওয়া হচ্ছে।

উৎসবের প্রথম দিন থেকেই গ্রাহকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া লক্ষ্য করা গেছে। মেলায় আগত অতিথিদের আপ্যায়নের জন্য ছিল নানা ধরনের ঐতিহ্যবাহী বৈশাখী খাবার, যেমন – মিষ্টি, বাতাসা, সন্দেশ, কদমা, নকুলদানা, খৈ, মুড়ি, মোয়া এবং পিঠা।