ঢাকা ০৭:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনায় অচলাবস্থা, তবে পাকিস্তানের কূটনৈতিক তৎপরতা অব্যাহত

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যেকার সাম্প্রতিক কূটনৈতিক আলোচনা প্রত্যাশিত ফল না দিলেও, পাকিস্তান তাদের মধ্যস্থতার প্রচেষ্টা থেকে পিছিয়ে আসছে না। পররাষ্ট্র নীতি বিষয়ক থিঙ্ক ট্যাঙ্ক সানোবার ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক কামার চিমা আলজাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, গত এক দশকে এই আলোচনা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক প্রচেষ্টাগুলোর মধ্যে একটি।

চিমা জানান, আলোচনায় ইরানকে একটি চূড়ান্ত প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে এবং এখন ইরানি প্রতিনিধিদল দেশটির শীর্ষ নেতৃত্বের কাছ থেকে এ বিষয়ে মতামত নেবে। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলি হামলায় ইরানের বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা নিহত হওয়ায় নতুন নেতৃত্ব এই সিদ্ধান্তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি মনে করেন।

পাকিস্তানের ভূমিকার প্রশংসা করে চিমা বলেন, ‘পাকিস্তানের কাজ ছিল দুই পক্ষকে আলোচনার টেবিলে আনা, তাদের মধ্যে দূরত্ব কমানো এবং বিশ্বাস পুনর্গঠন করা—আর পাকিস্তান সেই দায়িত্ব সফলভাবে পালন করেছে।’ তিনি আরও জানান, উভয় পক্ষই পাকিস্তানের ভূমিকাকে প্রশংসা করেছে, যা দেশটির জন্য আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি এনে দিয়েছে।

তিনি জোর দিয়ে বলেন, এই প্রক্রিয়ার সবচেয়ে বড় অর্জন হলো যুদ্ধবিরতি। ‘আমরা যুদ্ধবিরতি পেয়েছি আর সেটাই ছিল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়,’ বলেন তিনি। আগামী দিনগুলোতে ইরান প্রস্তাবের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়ে আবার আলোচনায় ফিরবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি। তার মতে, এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া এবং কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘দম’ জয় করছে আমেরিকা, ‘প্রেশার কুকার’ যাচ্ছে লন্ডনে

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনায় অচলাবস্থা, তবে পাকিস্তানের কূটনৈতিক তৎপরতা অব্যাহত

আপডেট সময় : ০৫:২৯:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যেকার সাম্প্রতিক কূটনৈতিক আলোচনা প্রত্যাশিত ফল না দিলেও, পাকিস্তান তাদের মধ্যস্থতার প্রচেষ্টা থেকে পিছিয়ে আসছে না। পররাষ্ট্র নীতি বিষয়ক থিঙ্ক ট্যাঙ্ক সানোবার ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক কামার চিমা আলজাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, গত এক দশকে এই আলোচনা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক প্রচেষ্টাগুলোর মধ্যে একটি।

চিমা জানান, আলোচনায় ইরানকে একটি চূড়ান্ত প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে এবং এখন ইরানি প্রতিনিধিদল দেশটির শীর্ষ নেতৃত্বের কাছ থেকে এ বিষয়ে মতামত নেবে। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলি হামলায় ইরানের বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা নিহত হওয়ায় নতুন নেতৃত্ব এই সিদ্ধান্তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি মনে করেন।

পাকিস্তানের ভূমিকার প্রশংসা করে চিমা বলেন, ‘পাকিস্তানের কাজ ছিল দুই পক্ষকে আলোচনার টেবিলে আনা, তাদের মধ্যে দূরত্ব কমানো এবং বিশ্বাস পুনর্গঠন করা—আর পাকিস্তান সেই দায়িত্ব সফলভাবে পালন করেছে।’ তিনি আরও জানান, উভয় পক্ষই পাকিস্তানের ভূমিকাকে প্রশংসা করেছে, যা দেশটির জন্য আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি এনে দিয়েছে।

তিনি জোর দিয়ে বলেন, এই প্রক্রিয়ার সবচেয়ে বড় অর্জন হলো যুদ্ধবিরতি। ‘আমরা যুদ্ধবিরতি পেয়েছি আর সেটাই ছিল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়,’ বলেন তিনি। আগামী দিনগুলোতে ইরান প্রস্তাবের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়ে আবার আলোচনায় ফিরবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি। তার মতে, এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া এবং কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।