ঢাকা ০৮:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা ব্যর্থ: হরমুজ প্রণালিতে উত্তেজনা, যুদ্ধ শুরুর আশঙ্কা

পাকিস্তানে অনুষ্ঠিত সর্বশেষ যুক্তরাষ্ট্র-ইরান কূটনৈতিক আলোচনা কোনো অগ্রগতি ছাড়াই শেষ হওয়ায় আবারও যুদ্ধ শুরু হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এই উদ্বেগ শুধু ইরানের ভেতরেই নয়, বরং দেশটির দক্ষিণের প্রতিবেশীদের মধ্যেও ছড়িয়ে পড়েছে। বিশেষত যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের বক্তব্য উত্তেজনা আরও বাড়িয়েছে।

হরমুজ প্রণালি এই সংঘাতের কেন্দ্রবিন্দু হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যে ইরানের সঙ্গে সমন্বয় ছাড়াই প্রণালিতে মাইন অপসারণ কার্যক্রম শুরু করেছে, অথচ এই জলপথে জাহাজ চলাচলের নিয়ন্ত্রণ বর্তমানে ইরানের হাতে রয়েছে।

তবে আলোচনার আয়োজক পাকিস্তান চায়, উভয় পক্ষ অন্তত বাকি ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি বজায় রাখুক। এতে করে নতুন করে আলোচনার সুযোগ তৈরি হতে পারে।

ইরানি প্রতিনিধিদলের প্রধান মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ জানিয়েছেন, এই দফায় যুক্তরাষ্ট্র ইরানের আস্থা অর্জনে ব্যর্থ হলেও ভবিষ্যতে আরও আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

অন্যদিকে, ইসলামাবাদ ছাড়ার আগে যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের বক্তব্য আশার আলো নিভিয়ে দিয়েছে। তিনি বলেন, ইরান যুক্তরাষ্ট্রের শর্তে সম্মত হয়নি এবং যুক্তরাষ্ট্র একটি ‘চূড়ান্ত ও সর্বোত্তম প্রস্তাব’ দিয়েছে। এখন ইরান সেটি গ্রহণ করে কিনা, তা দেখার বিষয়।

সব মিলিয়ে, কূটনৈতিক পথ এখনো পুরোপুরি বন্ধ হয়নি, তবে পরিস্থিতি অত্যন্ত নাজুক অবস্থায় রয়েছে এবং যেকোনো সময় নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি রয়ে গেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পারমাণবিক ইস্যু অজুহাত, যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তর উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে ইরান

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা ব্যর্থ: হরমুজ প্রণালিতে উত্তেজনা, যুদ্ধ শুরুর আশঙ্কা

আপডেট সময় : ০৬:৩৬:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

পাকিস্তানে অনুষ্ঠিত সর্বশেষ যুক্তরাষ্ট্র-ইরান কূটনৈতিক আলোচনা কোনো অগ্রগতি ছাড়াই শেষ হওয়ায় আবারও যুদ্ধ শুরু হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এই উদ্বেগ শুধু ইরানের ভেতরেই নয়, বরং দেশটির দক্ষিণের প্রতিবেশীদের মধ্যেও ছড়িয়ে পড়েছে। বিশেষত যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের বক্তব্য উত্তেজনা আরও বাড়িয়েছে।

হরমুজ প্রণালি এই সংঘাতের কেন্দ্রবিন্দু হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যে ইরানের সঙ্গে সমন্বয় ছাড়াই প্রণালিতে মাইন অপসারণ কার্যক্রম শুরু করেছে, অথচ এই জলপথে জাহাজ চলাচলের নিয়ন্ত্রণ বর্তমানে ইরানের হাতে রয়েছে।

তবে আলোচনার আয়োজক পাকিস্তান চায়, উভয় পক্ষ অন্তত বাকি ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি বজায় রাখুক। এতে করে নতুন করে আলোচনার সুযোগ তৈরি হতে পারে।

ইরানি প্রতিনিধিদলের প্রধান মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ জানিয়েছেন, এই দফায় যুক্তরাষ্ট্র ইরানের আস্থা অর্জনে ব্যর্থ হলেও ভবিষ্যতে আরও আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

অন্যদিকে, ইসলামাবাদ ছাড়ার আগে যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের বক্তব্য আশার আলো নিভিয়ে দিয়েছে। তিনি বলেন, ইরান যুক্তরাষ্ট্রের শর্তে সম্মত হয়নি এবং যুক্তরাষ্ট্র একটি ‘চূড়ান্ত ও সর্বোত্তম প্রস্তাব’ দিয়েছে। এখন ইরান সেটি গ্রহণ করে কিনা, তা দেখার বিষয়।

সব মিলিয়ে, কূটনৈতিক পথ এখনো পুরোপুরি বন্ধ হয়নি, তবে পরিস্থিতি অত্যন্ত নাজুক অবস্থায় রয়েছে এবং যেকোনো সময় নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি রয়ে গেছে।