মার্কিন ভাইস-প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ইরানের সঙ্গে আলোচনা ভেঙ্গে যাওয়াকে একইসাথে সুসংবাদ এবং দুঃসংবাদ হিসেবে অভিহিত করেছেন। বিবিসির প্রধান আন্তর্জাতিক সংবাদদাতা লিজ ডুসেটের মতে, এই আলোচনা সেশনটি কতক্ষণ স্থায়ী হয়েছে তা তাৎপর্যপূর্ণ হলেও, এ সময়ের মধ্যে কোনো চুক্তি না হওয়াটা আশ্চর্যজনক নয়।
লিজ ডুসেট বিশ্লেষণ করে বলেন, আমেরিকান প্রতিনিধিরা পাকিস্তানে এই ধারণা নিয়ে এসেছিলেন যে, যুদ্ধে ইরান এতটাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে যে তাদের সাথে দ্রুত একটি আপোষ চুক্তি সম্ভব হবে। কিন্তু জেডি ভ্যান্স জানিয়েছেন, ‘তারা (ইরান) আমাদের শর্তগুলো মেনে নিতে রাজি হয়নি।’
লিজ ডুসেট মনে করেন, ইরানের নিজস্ব কিছু সীমা রয়েছে, অর্থাৎ যেসব বিষয়ে তারা ছাড় দিতে রাজি নয়। দেশটি শক্তিশালী অবস্থানে আছে এই বিশ্বাস নিয়ে ইসলামাবাদে আলোচনায় এসেছিল। কিন্তু দেখা যাচ্ছে, সামরিক সক্ষমতার ব্যাপক ক্ষতি হওয়া সত্ত্বেও, ইরান এখনো যুদ্ধ চালিয়ে যেতে সক্ষম এবং ইচ্ছুক। বিশেষ করে কৌশলগত হরমুজ প্রণালীর ওপর নিয়ন্ত্রণের কারণে ইরানের হাতে এখনও যথেষ্ট দর কষাকষির সুযোগ রয়েছে।
এক দশক আগে তেহরান ও ওয়াশিংটন শেষবার যখন একটি পারমাণবিক চুক্তিতে পৌঁছেছিল, তখন ১৮ মাস ধরে নানা অগ্রগতি ও অচলাবস্থার সম্মুখীন হতে হয়েছিল। লিজ ডুসেটের মতে, ট্রাম্প এখন এক কঠিন সিদ্ধান্তের মুখোমুখি হবেন – হয় পরিস্থিতি আরও খারাপ করতে পারেন তিনি, অথবা আলোচনায় ফিরে এসে নতুন করে পরিস্থিতিকে মূল্যায়ন করতে পারেন।
রিপোর্টারের নাম 
























