ঢাকা ০১:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬

মশা তাড়াতে গিয়ে নীলফামারীতে ৭ বসতঘর ভস্মীভূত

নীলফামারীর ডোমার পৌরসভা এলাকার মাদরাসা পাড়া গ্রামে মশা তাড়াতে গিয়ে তুষে আগুন দেওয়াকে কেন্দ্র করে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। এতে অন্তত সাতটি বসতঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। শনিবার (১১ এপ্রিল) রাতে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্র মতে, মৃত আব্দুল হাই মাস্টারের পরিবারের সদস্যরা এই দুর্ঘটনার শিকার হন। তার দুই ছেলে—জুতা ব্যবসায়ী আব্দুল ওয়াজেদ আনছারি (৪০) এবং বাদাম ব্যবসায়ী আব্দুল ওয়ারেছ আনছারি (৪৫)—তাদের ঘর ও আসবাবপত্র হারিয়েছেন।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, আব্দুল হাই মাস্টারের মা খাদিজা বেগম (৬৫) মাগরিবের নামাজের আগে মশা তাড়ানোর জন্য তুষে আগুন জ্বালিয়ে ধোঁয়া তৈরি করছিলেন। নামাজে দাঁড়ানোর সময় অসাবধানতাবশত সেই আগুন পাশের একটি চিপসের প্যাকেটে লেগে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। মুহূর্তেই আগুন লাগা ঘর থেকে পার্শ্ববর্তী অন্যান্য ঘরেও ছড়িয়ে পড়ে এবং ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।

খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স-এর ডোমার ইউনিটের একটি দল। স্থানীয় বাসিন্দা এবং পুলিশ সদস্যদের সহায়তায় তারা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। ডোমার ফায়ার সার্ভিসের ফায়ার ফাইটার কামাল হোসেন জানান, দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ায় বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো গেছে। তবে, প্রাথমিকভাবে প্রায় তিন লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে প্রায় পাঁচ লাখ টাকার মালামাল উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।

ডোমার থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এবং উদ্ধার কাজে সহায়তা করে। স্থানীয়দের মতে, অসাবধানতাবশত আগুন ব্যবহারের কারণেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। তারা ভবিষ্যতে এ ধরনের ঝুঁকিপূর্ণ কাজ থেকে বিরত থাকার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পায়রা সেতুতে টোল কালেক্টরের রহস্যময় মৃত্যু

মশা তাড়াতে গিয়ে নীলফামারীতে ৭ বসতঘর ভস্মীভূত

আপডেট সময় : ০৫:২৭:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

নীলফামারীর ডোমার পৌরসভা এলাকার মাদরাসা পাড়া গ্রামে মশা তাড়াতে গিয়ে তুষে আগুন দেওয়াকে কেন্দ্র করে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। এতে অন্তত সাতটি বসতঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। শনিবার (১১ এপ্রিল) রাতে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্র মতে, মৃত আব্দুল হাই মাস্টারের পরিবারের সদস্যরা এই দুর্ঘটনার শিকার হন। তার দুই ছেলে—জুতা ব্যবসায়ী আব্দুল ওয়াজেদ আনছারি (৪০) এবং বাদাম ব্যবসায়ী আব্দুল ওয়ারেছ আনছারি (৪৫)—তাদের ঘর ও আসবাবপত্র হারিয়েছেন।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, আব্দুল হাই মাস্টারের মা খাদিজা বেগম (৬৫) মাগরিবের নামাজের আগে মশা তাড়ানোর জন্য তুষে আগুন জ্বালিয়ে ধোঁয়া তৈরি করছিলেন। নামাজে দাঁড়ানোর সময় অসাবধানতাবশত সেই আগুন পাশের একটি চিপসের প্যাকেটে লেগে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। মুহূর্তেই আগুন লাগা ঘর থেকে পার্শ্ববর্তী অন্যান্য ঘরেও ছড়িয়ে পড়ে এবং ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।

খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স-এর ডোমার ইউনিটের একটি দল। স্থানীয় বাসিন্দা এবং পুলিশ সদস্যদের সহায়তায় তারা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। ডোমার ফায়ার সার্ভিসের ফায়ার ফাইটার কামাল হোসেন জানান, দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ায় বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো গেছে। তবে, প্রাথমিকভাবে প্রায় তিন লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে প্রায় পাঁচ লাখ টাকার মালামাল উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।

ডোমার থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এবং উদ্ধার কাজে সহায়তা করে। স্থানীয়দের মতে, অসাবধানতাবশত আগুন ব্যবহারের কারণেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। তারা ভবিষ্যতে এ ধরনের ঝুঁকিপূর্ণ কাজ থেকে বিরত থাকার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।