ঢাকা ০৯:২৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

রংপুরে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট: পাম্পে দীর্ঘ অপেক্ষায় ব্যাহত হচ্ছে কর্মঘণ্টা

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৫০:০৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬
  • ১১ বার পড়া হয়েছে

রংপুর বিভাগে জ্বালানি তেলের সংকট ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। গত দেড় মাস ধরে চলা এই সংকটে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি এখন চরমে। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় তেলের পাম্পগুলোতে দীর্ঘ লাইন দেখা যাচ্ছে, তবে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও অনেকে খালি হাতে ফিরছেন। এর ফলে বাইক ও যানবাহন চালানো বন্ধ করে দিয়েছেন অনেক কর্মজীবী মানুষ।

বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিদিন গড়ে ১০ লাখ লিটার ডিজেলের চাহিদার বিপরীতে সরবরাহ মিলছে মাত্র ৯ লাখ লিটার। পেট্রোল ও অকটেনের ক্ষেত্রে এই ঘাটতি আরও প্রকট। সরবরাহ কমে যাওয়ার পাশাপাশি সরকার নির্ধারিত নির্দিষ্ট সময়ে তেল দেওয়ার সিদ্ধান্তে বিপাকে পড়েছেন সাধারণ গ্রাহক ও কর্মজীবীরা। তেলের জন্য দীর্ঘ সময় ব্যয় হওয়ায় ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক কর্মঘণ্টা।

ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন, দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত তেল দেওয়ার নিয়ম করায় অফিস ফাঁকি দিয়ে পাম্পে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে। পাম্প কর্তৃপক্ষের দাবি, ডিপো থেকে পর্যাপ্ত তেল না পাওয়ায় তারা গ্রাহকের চাহিদা মেটাতে পারছেন না। এই সুযোগে একটি অসাধু চক্র তেল মজুত করে চড়া দামে বিক্রি করছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অধ্যাদেশ ও সংস্কার ইস্যুতে সরকারের ইউ-টার্ন

রংপুরে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট: পাম্পে দীর্ঘ অপেক্ষায় ব্যাহত হচ্ছে কর্মঘণ্টা

আপডেট সময় : ০৩:৫০:০৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬

রংপুর বিভাগে জ্বালানি তেলের সংকট ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। গত দেড় মাস ধরে চলা এই সংকটে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি এখন চরমে। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় তেলের পাম্পগুলোতে দীর্ঘ লাইন দেখা যাচ্ছে, তবে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও অনেকে খালি হাতে ফিরছেন। এর ফলে বাইক ও যানবাহন চালানো বন্ধ করে দিয়েছেন অনেক কর্মজীবী মানুষ।

বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিদিন গড়ে ১০ লাখ লিটার ডিজেলের চাহিদার বিপরীতে সরবরাহ মিলছে মাত্র ৯ লাখ লিটার। পেট্রোল ও অকটেনের ক্ষেত্রে এই ঘাটতি আরও প্রকট। সরবরাহ কমে যাওয়ার পাশাপাশি সরকার নির্ধারিত নির্দিষ্ট সময়ে তেল দেওয়ার সিদ্ধান্তে বিপাকে পড়েছেন সাধারণ গ্রাহক ও কর্মজীবীরা। তেলের জন্য দীর্ঘ সময় ব্যয় হওয়ায় ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক কর্মঘণ্টা।

ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন, দুপুর থেকে বিকেল পর্যন্ত তেল দেওয়ার নিয়ম করায় অফিস ফাঁকি দিয়ে পাম্পে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে। পাম্প কর্তৃপক্ষের দাবি, ডিপো থেকে পর্যাপ্ত তেল না পাওয়ায় তারা গ্রাহকের চাহিদা মেটাতে পারছেন না। এই সুযোগে একটি অসাধু চক্র তেল মজুত করে চড়া দামে বিক্রি করছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।