ঢাকা ১১:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধাবস্থা: বাংলাদেশের জিডিপি ও মূল্যস্ফীতি নিয়ে সানেমের বড় সতর্কতা

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০২:২০:০৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬
  • ১৫ বার পড়া হয়েছে

ইরানের ওপর ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক আগ্রাসনের জেরে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি হলে বাংলাদেশের অর্থনীতি বড় ধরনের সংকটে পড়তে পারে বলে সতর্ক করেছে সাউথ এশিয়ান নেটওয়ার্ক অন ইকোনমিক মডেলিং (সানেম)। সংস্থাটি জানিয়েছে, এই পরিস্থিতিতে দেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি হ্রাসের পাশাপাশি মূল্যস্ফীতি আকাশচুম্বী হওয়ার প্রবল ঝুঁকি রয়েছে।

সানেমের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, বিশ্ববাজারে তেলের দাম ৪০ শতাংশ এবং এলএনজির দাম ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি পেলে বাংলাদেশের প্রকৃত জিডিপি প্রবৃদ্ধি ১.২ শতাংশ পর্যন্ত কমে যেতে পারে। একই সঙ্গে রপ্তানি আয় ও কৃষি উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে গেলে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা চরম হুমকির মুখে পড়বে, কারণ বাংলাদেশের আমদানিকৃত এলএনজির সিংহভাগই আসে কাতার ও আরব আমিরাত থেকে।

এই অর্থনৈতিক ধাক্কা সামলাতে সানেম সরকারকে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ প্রদান করেছে। এর মধ্যে রয়েছে জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ বাড়ানো এবং আসন্ন বাজেটে এই খাতে বিশেষ বরাদ্দ নিশ্চিত করা। এছাড়া বর্তমান পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা ধরে রাখতে কার্যকর বাজার মনিটরিং ও কৃচ্ছ্রসাধন নীতি গ্রহণের ওপরও জোর দিয়েছে সংস্থাটি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চৌদ্দগ্রামে ইউএনওর উদ্যোগে প্রজেক্টরে খেলা দেখার ব্যবস্থা: ক্রীড়াপ্রেমীদের মাঝে উৎসবের আমেজ

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধাবস্থা: বাংলাদেশের জিডিপি ও মূল্যস্ফীতি নিয়ে সানেমের বড় সতর্কতা

আপডেট সময় : ০২:২০:০৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬

ইরানের ওপর ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক আগ্রাসনের জেরে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি হলে বাংলাদেশের অর্থনীতি বড় ধরনের সংকটে পড়তে পারে বলে সতর্ক করেছে সাউথ এশিয়ান নেটওয়ার্ক অন ইকোনমিক মডেলিং (সানেম)। সংস্থাটি জানিয়েছে, এই পরিস্থিতিতে দেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি হ্রাসের পাশাপাশি মূল্যস্ফীতি আকাশচুম্বী হওয়ার প্রবল ঝুঁকি রয়েছে।

সানেমের বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, বিশ্ববাজারে তেলের দাম ৪০ শতাংশ এবং এলএনজির দাম ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি পেলে বাংলাদেশের প্রকৃত জিডিপি প্রবৃদ্ধি ১.২ শতাংশ পর্যন্ত কমে যেতে পারে। একই সঙ্গে রপ্তানি আয় ও কৃষি উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে গেলে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা চরম হুমকির মুখে পড়বে, কারণ বাংলাদেশের আমদানিকৃত এলএনজির সিংহভাগই আসে কাতার ও আরব আমিরাত থেকে।

এই অর্থনৈতিক ধাক্কা সামলাতে সানেম সরকারকে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ প্রদান করেছে। এর মধ্যে রয়েছে জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ বাড়ানো এবং আসন্ন বাজেটে এই খাতে বিশেষ বরাদ্দ নিশ্চিত করা। এছাড়া বর্তমান পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা ধরে রাখতে কার্যকর বাজার মনিটরিং ও কৃচ্ছ্রসাধন নীতি গ্রহণের ওপরও জোর দিয়েছে সংস্থাটি।