ঢাকা ০৩:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

ইরানের পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা হলে ভয়াবহ বিপর্যয়ের আশঙ্কা

আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) পারমাণবিক যাচাইকরণ ও নিরাপত্তা নীতি সমন্বয়ের সাবেক প্রধান তারিক রাউল ইরানের বুশেহর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলার ব্যাপারে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, এই বিদ্যুৎকেন্দ্রে সরাসরি আঘাত হানলে তা চেরনোবিল বা হিরোশিমার মতো ভয়াবহ বিপর্যয়ের সৃষ্টি করতে পারে।

আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রাউল বলেন, যদিও পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো আঘাত সহ্য করার জন্য নকশা করা হয়, তবে বাস্তবে কী ঘটবে তা নিশ্চিত করে বলা যায় না। তিনি আরও বলেন, উপসাগরীয় অঞ্চল যদি তেজস্ক্রিয়তায় দূষিত হয়, তবে তা বহু বছর ধরে স্থায়ী হতে পারে। এর ফলে লবণাক্ত পানি পরিশোধন কেন্দ্র অকার্যকর হয়ে পড়বে, মৎস্য সম্পদ ধ্বংস হবে এবং শত শত কিলোমিটার এলাকা বসবাসের অযোগ্য হয়ে যেতে পারে।

তেজস্ক্রিয়তার সংস্পর্শে আসা মানুষের শরীরে ভয়াবহ প্রভাব পড়তে পারে, যেমন – ফোসকা পড়া, জ্ঞান হারানো, রক্তক্ষরণ এবং ক্যান্সার। রাউল ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃতভাবে এই ধরনের বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলাকে অত্যন্ত দায়িত্বজ্ঞানহীন কাজ বলে অভিহিত করেন। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন যে, যেকোনো সময় একটি পথভ্রষ্ট ড্রোনও এই রিয়্যাক্টরে বিধ্বস্ত হতে পারে, যা মারাত্মক পরিণতির দিকে ঠেলে দেবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মেসির ফ্যাকাশে পারফরম্যান্সে ইন্টার মিয়ামির ড্রয়ের ধারা অব্যাহত

ইরানের পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা হলে ভয়াবহ বিপর্যয়ের আশঙ্কা

আপডেট সময় : ০১:৪৭:৪৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬

আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) পারমাণবিক যাচাইকরণ ও নিরাপত্তা নীতি সমন্বয়ের সাবেক প্রধান তারিক রাউল ইরানের বুশেহর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলার ব্যাপারে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, এই বিদ্যুৎকেন্দ্রে সরাসরি আঘাত হানলে তা চেরনোবিল বা হিরোশিমার মতো ভয়াবহ বিপর্যয়ের সৃষ্টি করতে পারে।

আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রাউল বলেন, যদিও পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো আঘাত সহ্য করার জন্য নকশা করা হয়, তবে বাস্তবে কী ঘটবে তা নিশ্চিত করে বলা যায় না। তিনি আরও বলেন, উপসাগরীয় অঞ্চল যদি তেজস্ক্রিয়তায় দূষিত হয়, তবে তা বহু বছর ধরে স্থায়ী হতে পারে। এর ফলে লবণাক্ত পানি পরিশোধন কেন্দ্র অকার্যকর হয়ে পড়বে, মৎস্য সম্পদ ধ্বংস হবে এবং শত শত কিলোমিটার এলাকা বসবাসের অযোগ্য হয়ে যেতে পারে।

তেজস্ক্রিয়তার সংস্পর্শে আসা মানুষের শরীরে ভয়াবহ প্রভাব পড়তে পারে, যেমন – ফোসকা পড়া, জ্ঞান হারানো, রক্তক্ষরণ এবং ক্যান্সার। রাউল ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃতভাবে এই ধরনের বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলাকে অত্যন্ত দায়িত্বজ্ঞানহীন কাজ বলে অভিহিত করেন। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন যে, যেকোনো সময় একটি পথভ্রষ্ট ড্রোনও এই রিয়্যাক্টরে বিধ্বস্ত হতে পারে, যা মারাত্মক পরিণতির দিকে ঠেলে দেবে।